• ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩, সোমবার ১০ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Durgapur

রাজ্য

স্কুলপড়ুয়াদের হাসপাতালে নিয়ে রক্ত সংগ্রহ! অভিযোগ ঘিরে তোলপাড়, তদন্তে নেমেছে পুলিশ

দুর্গাপুরে নাবালক স্কুলপড়ুয়াদের টাকার প্রলোভন দেখিয়ে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে রক্ত সংগ্রহের অভিযোগ ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ সামনে আসতেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে এই ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।অভিযোগ, দুর্গাপুরের ইস্পাত নগরীর একটি বেসরকারি স্কুলের তিন নাবালক পড়ুয়াকে টাকার লোভ দেখিয়ে বিধাননগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে এক রোগীর আত্মীয় পরিচয়ে তাঁদের রক্তদান করানো হয়েছে বলে অভিযোগ। আরও অভিযোগ, সরকারি নথিতে তাঁদের প্রকৃত বয়স পরিবর্তন করে প্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে দেখানো হয়েছিল।এই ঘটনার নেপথ্যে ওই স্কুলেরই এক প্রাক্তন ছাত্রের নাম উঠে এসেছে বলে অভিযোগ। বর্তমানে সে দুর্গাপুরের একটি স্কুলে পড়াশোনা করে বলে জানা গিয়েছে। তবে এই ঘটনার সঙ্গে আরও বড় কোনও চক্র জড়িত রয়েছে কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।ঘটনা জানাজানি হতেই স্কুল কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ করে। অভিভাবকদের সঙ্গে নিয়ে দুর্গাপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। স্কুলের অধ্যক্ষা দেবযানী বোস জানান, বিষয়টি জানার পরই পুলিশকে সব তথ্য জানানো হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, এজেন্টের মাধ্যমে নাবালকদের রক্ত সংগ্রহ করা হচ্ছে, যা অত্যন্ত গুরুতর অপরাধ।অভিভাবকদের অভিযোগ, টাকার লোভ দেখিয়ে নাবালকদের রক্ত নেওয়া কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন রাজ্যের পুর ও নগর উন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তিনি বলেন, বিষয়টি তাঁর নজরে এসেছে এবং তিনি স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও কথা বলেছেন। পুলিশকে দ্রুত তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যারা নাবালকদের প্রলোভন দেখিয়ে এই কাজ করেছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোরতম ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তিনি জানান।আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনার প্রণব কুমার জানিয়েছেন, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।ঘটনায় প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ও। তিনি জানান, বিষয়টি সরকারের নজরে এসেছে এবং ইতিমধ্যেই রাজ্যের রক্তভান্ডারগুলির উপর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে বেশ কিছু অসঙ্গতির তথ্য সামনে এসেছে বলে তিনি দাবি করেন। তাঁর অভিযোগ, অনুমতি ছাড়াই প্লাজমা অন্য রাজ্যে পাঠানো হয়েছে এবং কোথাও কোথাও নাবালকদের কাছ থেকেও রক্ত সংগ্রহের অভিযোগ মিলেছে। এমনকি নির্ধারিত মাত্রার চেয়েও বেশি রক্ত নেওয়ার অভিযোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুরো ঘটনার তদন্ত শেষ হলে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

আগস্ট ০৫, ২০২৬
রাজ্য

দুর্গাপুরের একাধিক বহুতলে সতর্কতা! সেখানেই লুকিয়ে থাকতে পারে হামিমরা

জঙ্গি কার্যকলাপে ভাড়া বাড়ির ব্যবহার নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে রাজ্যে। পূর্ব বর্ধমান থেকে জইশ-ই-মহম্মদের সঙ্গে যোগের অভিযোগে হামিম মণ্ডল গ্রেপ্তার হওয়ার পর বিভিন্ন আবাসনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে সতর্কতা বাড়ানো হয়েছে। তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, ভাড়া ফ্ল্যাটকে ব্যবহার করে কোনও নেটওয়ার্ক পরিচালিত হচ্ছিল কি না।হামিম মণ্ডলকে পূর্ব বর্ধমানের একটি আবাসনের ভাড়া ফ্ল্যাট থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেই ঘটনার পর দুর্গাপুর ও কাঁকসা এলাকার বড় বড় আবাসনগুলিতেও সতর্কতা জারি হয়েছে। প্রশাসনের মতে, ভাড়াটিয়াদের পরিচয় যাচাই করা এবং প্রয়োজনীয় নথি জমা রাখা এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।দুর্গাপুরের অন্যতম বড় আবাসন তপোবন সিটিতে বহু পরিবার বসবাস করেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কর্মসূত্রে বহু মানুষ এখানে ভাড়া থাকেন। সেই কারণে আবাসনের নিরাপত্তা আরও জোরদার করার উপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।স্থানীয় বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় আবাসনের বাসিন্দাদের উদ্দেশে আবেদন জানিয়েছেন, কেউ ফ্ল্যাট ভাড়া দিলে ভাড়াটিয়ার আধার, ভোটার পরিচয়পত্র-সহ প্রয়োজনীয় নথির অনুলিপি স্থানীয় থানায় জমা দিতে হবে। পাশাপাশি কোনও সন্দেহজনক ব্যক্তি বা অস্বাভাবিক কার্যকলাপ নজরে এলে দ্রুত প্রশাসনকে জানাতে হবে।উল্লেখ্য, এর আগেও কাঁকসা এলাকা থেকে বাংলাদেশভিত্তিক একটি জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যোগ থাকার অভিযোগে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছিল এসটিএফ। সেই ঘটনার পর থেকেই এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছিল। এবার হামিম মণ্ডল গ্রেপ্তার হওয়ার পর আবারও ভাড়া আবাসনগুলির নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশাসন বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন, ভাড়া বাড়িকে ব্যবহার করে কোনও সংগঠিত নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার চেষ্টা হয়েছিল কি না।

আগস্ট ০২, ২০২৬
রাজ্য

টায়ার সারাইয়ের কর্মীর বাড়িতে হঠাৎ তল্লাশি, তারপর যা জানা গেল তাতেই স্তম্ভিত গোটা এলাকা

সোমবার সকালে দুর্গাপুরের নিউ স্টিল পার্ক এলাকায় হঠাৎ কয়েকটি সাদা গাড়ি এসে থামে। গাড়ি থেকে নেমে কয়েকজন আধিকারিক স্থানীয়দের কাছে গোলাম জামার বাড়ির খোঁজ জানতে চান। প্রথমে কেউ বুঝতে পারেননি তাঁরা তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিক। পরে বিষয়টি জানাজানি হতেই এলাকায় ভিড় জমে যায়। ঘটনাস্থলে পৌঁছান বহু মানুষ ও সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরাও।এরপর গোলাম জামার ভাড়াবাড়িতে তল্লাশি শুরু করে তদন্তকারী সংস্থা। বাড়ির বাইরে মোতায়েন করা হয় নিরাপত্তা বাহিনী। তদন্তকারী দলের সঙ্গে একজন মহিলা আধিকারিকও ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।স্থানীয়দের দাবি, প্রায় তিন বছর ধরে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে ওই এলাকায় ভাড়া থাকতেন গোলাম জামা। তিনি অন্ডাল এলাকায় একটি টায়ার সারাইয়ের দোকানে কাজ করতেন। প্রতিবেশীদের কথায়, তিনি খুব বেশি মেলামেশা করতেন না। তবে এলাকাবাসীর দাবি, মধ্যপ্রাচ্য ও মালয়েশিয়ার কয়েকজনের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল। সেই যোগাযোগের উদ্দেশ্য কী ছিল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, কাজের প্রলোভন দেখিয়ে মানুষকে বিদেশে পাঠানোর সঙ্গে গোলাম জামার যোগ থাকতে পারে। পাশাপাশি জাল পাসপোর্ট চক্রের সঙ্গেও তাঁর যোগাযোগের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, জাল নথির সাহায্যে বিভিন্ন ব্যক্তিকে বিদেশে পাঠানো হত এবং সেখানে তাঁদের নাশকতামূলক কাজে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা ছিল।এর আগে একই মামলায় ছত্তীসগঢ় থেকে দুই জনকে গ্রেফতার করেছিলেন তদন্তকারীরা। সেই তদন্তেই গোলাম জামার নাম সামনে আসে বলে দাবি তদন্তকারী সংস্থার। তদন্তকারীদের দাবি, বেশ কিছু দিন ধরেই তাঁর গতিবিধির উপর নজর রাখা হচ্ছিল। তবে এই সমস্ত অভিযোগের তদন্ত এখনও চলছে এবং এ বিষয়ে আদালতে চূড়ান্ত রায় এখনও হয়নি।

জুলাই ২৭, ২০২৬
রাজ্য

অসুস্থ যাত্রীর পাশে ভারতীয় রেল, মানবিক উদ্যোগে মুগ্ধ পরিবার

যাত্রী পরিষেবার পাশাপাশি মানবিকতার অনন্য নজির গড়ল ভারতীয় রেল। পরিবারের বিশেষ আবেদনে সাড়া দিয়ে দিল্লি-হাওড়া রাজধানী এক্সপ্রেসে যাত্রারত এক গুরুতর অসুস্থ যাত্রীর নিরাপদ অবতরণের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করল রেল কর্তৃপক্ষ।জানা গিয়েছে, পূর্ব বর্ধমান জেলার বাসিন্দা সুদীপ্ত বন্দ্যোপাধ্যায় সম্প্রতি নয়াদিল্লির এইমস (AIIMS) হাসপাতালে মেরুদণ্ডের জটিল অস্ত্রোপচারের পর চিকিৎসাধীন ছিলেন। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী তাঁর চলাফেরা সম্পূর্ণভাবে সীমিত ছিল এবং তাঁকে শুয়ে থেকেই যাত্রা করতে হয়। তিনি ১২৩১৪ শিয়ালদহ রাজধানী এক্সপ্রেসে নয়াদিল্লি থেকে দুর্গাপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন ২জুন ২০২৬।গুরুতর অসুস্থ যাত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁর দাদা স্নেহাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় আগাম রেল মদত (Railmadad) হেল্প লাইনে দূর্গাপুর স্টেশনে দুই মিনিটের অতিরিক্ত সময় থামার জন্য আবেদন জানান। সেই মোতাবেক দুর্গাপুর স্টেশনের স্টেশন ম্যানেজারের কাছে স্ট্রেচার ও প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেয় রেল মদত। নির্দেশ পাওয়ার পরই পূর্ব রেলের দুর্গাপুর স্টেশন কর্তৃপক্ষ বিষয়টিকে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করেন। ট্রেনটি দুর্গাপুর স্টেশনে পৌঁছানোর আগেই প্ল্যাটফর্মে স্ট্রেচার, রেলকর্মী এবং রেল পুলিশকে প্রস্তুত রাখা হয়।বুধবার সকালে রাজধানী এক্সপ্রেস দুর্গাপুর স্টেশনে পৌঁছালে মাত্র দুই মিনিটের নির্ধারিত স্টপেজের মধ্যেই রেলকর্মী ও রেল পুলিশের উপস্থিতিতে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে অসুস্থ যাত্রী সুদীপ্ত বন্দ্যোপাধ্যায়কে ট্রেন থেকে নামানো হয়। এরপর তাঁকে স্ট্রেচারের সাহায্যে নিরাপদে স্টেশন থেকে বের করে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। দুর্গাপুর রেল স্টেশনের ডেপুটি স্টেশন মাস্টার শ্রী অর্ণব ব্যানার্জি এবং আরপিএফ পোস্ট, দুর্গাপুরের এএসআই টি কে লাহা স্বয়ং উপস্থিত থেকে অসুস্থ যাত্রী সুদীপ্ত বন্দ্যোপাধ্যায়কে শিয়ালদহ রাজধানী এক্সপ্রেস থেকে অত্যন্ত দ্রুততা, দক্ষতা ও সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে নিরাপদে নামানোর ব্যবস্থা করেন।অসুস্থ যাত্রী সুদীপ্ত বন্দ্যোপাধ্যায়-র দাদা স্নেহাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, তাঁদের মানবিকতা, কর্তব্যনিষ্ঠা, তৎপরতা এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় পেশাদারিত্ব বিশেষভাবে প্রশংসার দাবিদার। যাত্রীর নিরাপত্তা ও সুস্থতার প্রতি তাঁদের আন্তরিক দায়িত্ববোধ উপস্থিত দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে এবং ভারতীয় রেলের সেবামূলক মানসিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেস্নেহাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁদের পরিবারের পক্ষ থেকে ভারতীয় রেলের এই দ্রুত ও মানবিক পদক্ষেপের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, স্টেশন কর্তৃপক্ষ, রেল পুলিশ এবং সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের আন্তরিক সহযোগিতা না পেলে এত স্বল্প সময়ে রোগীকে নিরাপদে নামানো সম্ভব হত না। ভারতীয় রেলের মানবিক মুখ আমাদের সত্যিই মুগ্ধ করেছে।যাত্রীসেবার পাশাপাশি মানবিক দায়বদ্ধতার এই দৃষ্টান্ত আবারও প্রমাণ করল, বিপদের সময় যাত্রীদের পাশে দাঁড়াতে ভারতীয় রেল সর্বদাই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এমন উদ্যোগ সাধারণ মানুষের মধ্যে রেলের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস আরও দৃঢ় করবে বলেই মনে করছেন যাত্রী মহলের একাংশ।

জুন ০৩, ২০২৬
রাজ্য

সরকারি গাড়ি ছেড়ে বাসে চড়লেন জেলাশাসক! মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকে যেতে পুরুলিয়ার অভিনব সিদ্ধান্ত

জ্বালানি সাশ্রয়ের বার্তা মেনে এবার অভিনব উদ্যোগ নিল পুরুলিয়া জেলা প্রশাসন। মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিতে সরকারি গাড়ির বদলে বাসে চড়ে দুর্গাপুর রওনা দিলেন জেলার আমলা ও পুলিশ কর্তারা। বৃহস্পতিবার সকালে এই ছবি ঘিরে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে প্রশাসনিক মহলে।সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশবাসীর কাছে আহ্বান জানিয়েছিলেন, যতটা সম্ভব জ্বালানি বাঁচাতে হবে এবং যাতায়াতে গণপরিবহনকে গুরুত্ব দিতে হবে। তারই মধ্যে চলতি মাসের ১৮ তারিখ রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজকুমার আগরওয়ালও সরকারি গাড়ির ব্যবহার কমানোর নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশ মেনেই এবার একসঙ্গে বাসে চড়ে দুর্গাপুরে রওনা দিল পুরুলিয়া জেলা প্রশাসন।বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে দশটা নাগাদ জেলা প্রশাসনিক ভবন থেকে দুটি বাসে করে রওনা দেন জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক, মহকুমাশাসক এবং বিডিওরা। একইভাবে পুলিশের আধিকারিকরাও গাড়ির সংখ্যা কমিয়ে বৈঠকে যোগ দিতে যান।পুরুলিয়ার জেলাশাসক সুধীর কোন্থম বলেন, দেশের প্রধানমন্ত্রীর বার্তা অনুযায়ী জ্বালানির খরচ কমাতে হবে। পাশাপাশি রাজ্যের তরফেও সরকারি গাড়ির ব্যবহার কমানোর নির্দেশ রয়েছে। আমরা সেই নির্দেশ মেনেই বাসে করে দুর্গাপুর যাচ্ছি।তিনি আরও বলেন, এটা শুধু সরকারি নির্দেশ পালন নয়, সাধারণ মানুষের কাছেও একটি বার্তা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা। কম খরচে এবং কম জ্বালানিতে কীভাবে কাজ করা যায়, সেটাই দেখাতে চাইছি।দুপুর দুটো নাগাদ দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারের সৃজনী প্রেক্ষাগৃহে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ওই বৈঠকে পশ্চিমাঞ্চলের পাঁচ জেলা পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান এবং বীরভূম জেলার প্রশাসনিক ও পুলিশ আধিকারিকরা উপস্থিত থাকবেন। বিডিওদের পাশাপাশি থাকবেন ওসি, আইসি, বিধায়ক এবং সাংসদরাও।প্রশাসন সূত্রে খবর, ওই বৈঠক থেকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। ইতিমধ্যেই মুখ্যসচিব প্রশাসনিক খরচ কমানো নিয়ে সাত দফা নির্দেশ জারি করেছেন। সেই অনুযায়ী প্রতিটি জেলা প্রশাসন এবং সরকারি দফতরকে আগামী অর্থবর্ষের জন্য তাৎক্ষণিক, মধ্যবর্তী এবং দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুক্রবারের মধ্যে সেই রিপোর্ট মুখ্যসচিবের দপ্তরে জমা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। পাশাপাশি আগামী ১ জুলাই থেকে প্রতি মাসে এই সংক্রান্ত রিপোর্ট পাঠানোর নির্দেশ রয়েছে।

মে ২১, ২০২৬
রাজ্য

দেওয়াল মুছতেই হামলা! ভোটের আগে দুর্গাপুরে কমিশনের কর্মীদের উপর চড়াও অভিযোগ

ভোটের আগে রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে কড়া নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। কিন্তু সেই পরিস্থিতিতেই দুর্গাপুরে নির্বাচন কমিশনের দুই কর্মীকে মারধরের অভিযোগে উত্তেজনা ছড়াল। সরকারি দেওয়ালে লেখা রাজনৈতিক প্রচার মুছতে গিয়ে আক্রান্ত হন তাঁরা।নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার পর থেকেই কমিশনের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, সরকারি কোনও দেওয়াল বা জায়গায় রাজনৈতিক প্রচার করা যাবে না। সেই নির্দেশ মেনেই এসডিও দপ্তরের নির্দেশে কমিশনের কর্মীরা এলাকায় পরিদর্শনে বেরিয়েছিলেন। দুর্গাপুরের কলোনিপাড়ায় পোস্ট অফিসের দেওয়ালে লেখা প্রার্থীর নাম মুছতে যান তাঁরা। অভিযোগ, সেই কাজ শেষ করে গাড়িতে ওঠার পর আচমকাই তাঁদের গাড়ি থেকে নামিয়ে মারধর করা হয়।আক্রান্ত এক কর্মীর দাবি, তাঁরা সরকারি নির্দেশ মেনেই কাজ করছিলেন। নিজেদের পরিচয় দেওয়ার পরও তাঁদের কথা শোনা হয়নি। স্থানীয় কিছু মানুষ নিজেদের শাসকদলের সমর্থক বলে দাবি করে তাঁদের উপর চড়াও হন বলে অভিযোগ।যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। তাদের দাবি, মারধরের ঘটনা ঘটেনি। বরং বিরোধী দলের কর্মীরাই বাইরে থেকে লোক এনে নিজেরাই দেওয়াল মুছছিল এবং উত্তেজনা তৈরি করছিল।ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ভোটের আগে এই ধরনের ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

মার্চ ২২, ২০২৬
রাজ্য

দুর্গাপুরের মেডিক্যাল কলেজে ফের চাঞ্চল্যকর ঘটনা, একই কলেজে ছাত্রের রহস্যমৃত্যু

দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজে ফের চাঞ্চল্যকর ঘটনা। হস্টেলের বাথরুম থেকে উদ্ধার হল দ্বিতীয় বর্ষের এক চিকিৎসক পড়ুয়ার দেহ। মৃতের নাম লাবণ্য প্রতাপ, বয়স ২২। তিনি বিহারের পাটনার বাসিন্দা। শনিবার রাতে পুলিশ দেহ উদ্ধার করে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। কীভাবে মৃত্যু হল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মৃতের বাবা জানিয়েছেন, তাঁদের কেউ আগে কিছু জানায়নি। দরজা খুলে তিনি দেখেন, তাঁর ছেলে ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে। এরপরই প্রশাসনকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে।মৃতের পরিবারের অভিযোগ, কলেজ কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। বাবা বলেন, অভিভাবকেরা টাকা দেন পড়াশোনার জন্য, কিন্তু ছাত্রদের নিরাপত্তার দায়িত্ব কলেজেরই।সম্প্রতি কলেজে পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে। সেই ফল ভাল না হওয়ায় মানসিক চাপে এই ঘটনা কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সব দিক খতিয়ে দেখছে পুলিশ।উল্লেখ্য, গত ১০ অক্টোবর এই একই কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের এক ছাত্রীকে মেডিক্যাল কলেজের বাইরে জঙ্গলে গণধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনায় ছয় জনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের মধ্যে পাঁচজন স্থানীয় যুবক এবং একজন সহপাঠী। বর্তমানে তারা পুলিশি হেফাজতে রয়েছে।সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের একই কলেজে ছাত্রের মৃত্যু ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। পুলিশ পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬
রাজ্য

সাতসকালেই পশ্চিম বর্ধমানে ইডির হানা, বালি-কয়লা পাচারে বড় নাম উঠে আসছে?

রাজ্যে ফের অ্যাকশন মোডে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। মঙ্গলবার সাতসকালেই পশ্চিম বর্ধমান জেলায় একযোগে তল্লাশি অভিযান শুরু করে ইডি। বালি ও কয়লা পাচার কাণ্ডের তদন্তে এই অভিযান বলে জানা গিয়েছে। নবগ্রাম, দুর্গাপুর ও পাণ্ডবেশ্বর-সহ জেলার একাধিক এলাকায় একসঙ্গে হানা দেন ইডির আধিকারিকরা।৩ ফেব্রুয়ারি সকালেই প্রায় ২৫ থেকে ৩০ জন আধিকারিক ও কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে পশ্চিম বর্ধমানে পৌঁছয় ইডির দল। তদন্তকারীরা ইস্টার্ন কোলফিল্ডস লিমিটেডের কয়লা বেআইনিভাবে উত্তোলন ও পাচারের অভিযোগ খতিয়ে দেখছেন বলে সূত্রের খবর। নবগ্রামে প্রথম তল্লাশি শুরু হয়, পরে দুর্গাপুর ও পাণ্ডবেশ্বরেও অভিযান ছড়িয়ে পড়ে।দুর্গাপুরে বালি কারবারের সঙ্গে যুক্ত বলে পরিচিত প্রবীর দত্তের বাড়িতে পৌঁছন ইডির আধিকারিকরা। দীর্ঘদিন ধরেই বালির ব্যবসার সঙ্গে তাঁর নাম জড়িয়ে রয়েছে। আগে তিনি পানাগড়ে থাকতেন। প্রায় দুই বছর আগে দুর্গাপুরে একটি বিলাসবহুল বাড়ি তৈরি করে সেখানে থাকতে শুরু করেন। সম্প্রতি তাঁর দুবাই সফরের খবরও সামনে এসেছে।ভোরের দিকে ইডির তিন সদস্যের একটি দল ও কেন্দ্রীয় বাহিনী তল্লাশি চালাতে গেলে প্রথমে বাড়িতে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সহায়তায় ইডি আধিকারিকরা বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করেন। বালি পাচারের সঙ্গে আর কারা যুক্ত, এই চক্র কতদূর বিস্তৃত, তা খতিয়ে দেখার চেষ্টা চলছে। প্রবীর দত্তের ভাইয়ের বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়েছে।এর আগে কয়লা পাচার মামলায় আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি ও অফিসে তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। তার পর এবার দুর্গাপুরে এই অভিযান ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২৬
রাজ্য

দুর্গাপুর থেকে তৃণমূলে আক্রমণ নিতিন নবীনের, ‘এবার বাংলার পালা’

বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি হওয়ার পর ভোটের রাজ্য বাংলায় এসে পৌঁছলেন বিজেপি নেতা নিতিন নবীন। মঙ্গলবার দুর্গাপুরে আসেন তিনি। বুধবার সেখান থেকেই জনসভা করে তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ শানান বিজেপির নতুন সভাপতি। সভামঞ্চ থেকে রাজ্যের দুর্নীতি, ধর্মীয় ইস্যু, প্রশাসনের ভূমিকা ও অনুপ্রবেশ প্রসঙ্গে একের পর এক কড়া মন্তব্য করেন তিনি।নিতিন নবীন বলেন, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে তৃণমূলের একাধিক নেতা জেলে রয়েছেন, আবার অনেকে বাইরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। যাঁরা এখনও বাইরে আছেন, তাঁরাও জেলে যাবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। তাঁর দাবি, দুর্নীতির সঙ্গে যাঁরাই যুক্ত, কাউকেই ছাড়া হবে না।দুর্গাপুজো প্রসঙ্গে নিতিন নবীন বলেন, শক্তির আরাধনা দুর্গাপুজো থেকেই শুরু হয় এবং বাংলা থেকেই তা সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। অথচ এই রাজ্যেই মায়ের পুজোয় বাধা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, আজান চলার সময় কোনও সমস্যা হয় না, কিন্তু দুর্গার আরাধনায় বাধা তৈরি করা হয়। বিজেপি নেতা বলেন, কোনও হিন্দুই এই পরিস্থিতি মেনে নেবে না এবং পরম্পরা রক্ষায় বিজেপি সব রকম ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত।তিনি আরও বলেন, দেশের বিভিন্ন জায়গায় ভৌগোলিক ও সাংস্কৃতিক চরিত্র বদলের চেষ্টা চলছে। তামিলনাড়ুতে দীপম উৎসবে পুজো করতে বাধা দেওয়া হয়েছে আজানের কারণে বলে অভিযোগ করেন তিনি। ওই রাজ্যের সরকার ইন্ডি জোটে রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন নিতিন নবীন। আদালত পুজোর অনুমতি দেওয়ার পর বিচারপতিকে সরাতে ইমপিচমেন্টের চেষ্টা হয়েছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি। তাঁর কথায়, সনাতনী সংস্কৃতি বাঁচানোর লড়াই শুধু বাংলার নয়, গোটা দেশের।প্রশাসনিক আধিকারিকদের উদ্দেশে নিতিন নবীন বলেন, এটি চার দিনের সরকার। তৃণমূলের কথায় নাচবেন না। কাঠের পুতুল হয়ে থাকবেন না। প্রশাসনের কাজ সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো। বিজেপি কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ঘরে ঘরে গিয়ে তৃণমূলের দুর্নীতির কথা মানুষকে জানাতে হবে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে বলেন, রাজ্যে যে অরাজকতা তৈরি হয়েছে, তার উল্টো গোনা শুরু করে দিয়েছে বাংলার মানুষ। খুব শিগগিরই বিজেপি বাংলার বিকাশের দায়িত্ব নেবে বলে দাবি করেন তিনি।এসআইআর ইস্যুতেও তৃণমূলকে আক্রমণ করেন নিতিন নবীন। তাঁর বক্তব্য, দিল্লিতে গিয়ে কান্নাকাটি করা হবে, অথচ রাজ্যে এসপি ও ডিএমদের দিয়ে সাধারণ মানুষকে ভয় দেখানো হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, কমিশন অনুপ্রবেশকারীদের তাড়াতে চাইছে। যাঁদের জন্ম বাংলায়, যাঁরা এই মাটির মানুষ, তাঁরাই বাংলার অধিকার পাবেন। বাংলাদেশ থেকে আসা কোনও অনুপ্রবেশকারীকে বাংলায় থাকার অধিকার দেওয়া হবে না বলেও স্পষ্ট বার্তা দেন বিজেপি সভাপতি।তৃণমূলের বিধায়ক ও মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ তুলে নিতিন নবীন বলেন, একসময় দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের কথা বলা হয়েছিল, কিন্তু এখন তার থেকেও বড় দুর্নীতির কারখানা তৈরি হয়েছে। বিজেপি আগেও উত্তরপ্রদেশ ও বিহারের মতো রাজ্যে তথাকথিত জঙ্গলরাজ শেষ করেছে বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, এবার বাংলার পালা। বিজেপি কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই, প্রত্যেক কর্মীর পিছনে পুরো বিজেপি পরিবার রয়েছে। লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান তিনি।

জানুয়ারি ২৮, ২০২৬
রাজ্য

দুর্গাপুরে ডাক্তারি ছাত্রী গণ.ধর্ষণ কাণ্ডে মুখ খুললেন পুলিশ কমিশনার, উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

দুর্গাপুরে ডাক্তারি পড়ুয়া ছাত্রীর উপর গণধর্ষণের অভিযোগ ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনায় ইতিমধ্যেই পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট। সোমবার বিকেলে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে পুলিশ কমিশনার সুনীল কুমার চৌধুরী বলেন, পুলিশ নির্যাতিতার পরিবারের পাশে আছে। প্রথম দিন থেকেই আমরা তাঁর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। তাঁরা যেন নিরাপদে থাকেন, তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।কমিশনার আরও বলেন, পুলিশ এই মামলায় নির্যাতিতার পরিবারের সদস্য হিসেবেই কাজ করছে। তাঁরা যেন ন্যায়বিচার পান, সেই লক্ষ্যে দ্রুত তদন্ত চলছে। তিনি জানান, অভিযোগ পাওয়ার পরই একাধিক দল গঠন করে অভিযুক্তদের খোঁজে অভিযান শুরু করা হয়। এখন পর্যন্ত পাঁচজন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে।তদন্তের স্বার্থে ঘটনাস্থলের পুনর্নির্মাণ (crime scene reconstruction) করা হয়েছে। অভিযুক্তদের ব্যবহৃত জামাকাপড় ও অন্যান্য সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। পুলিশের দাবি, তদন্তের প্রতিটি ধাপে নির্যাতিতার পরিবারকে অবহিত করা হচ্ছে।তবে তদন্তের অগ্রগতির বিষয়ে কমিশনার বলেন, মেডিক্যাল রিপোর্ট ও প্রাথমিক ফরেনসিক বিশ্লেষণে জানা যাচ্ছে, ধর্ষণের ঘটনায় মূলত একজন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে নিশ্চিত প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। বাকিদের ভূমিকা এখনও তদন্তাধীন। ফলে গণধর্ষণ অভিযোগের পরিধি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। যদিও কমিশনার স্পষ্ট জানান, যে দোষী হবে, তাকে কোনওভাবেই রেয়াত করা হবে না। আইনের পথে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এই ঘটনার পর দুর্গাপুর জুড়ে উত্তেজনা ছড়ালেও পুলিশ কমিশনার সকলকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ঘটনাকে কেউ রাজনৈতিক রঙ দেওয়ার চেষ্টা করলে, তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিন পুলিশ কমিশনার ব্যক্তিগতভাবে নির্যাতিতার বাবা-মায়ের সঙ্গে দেখা করে তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। তাঁর কথায়, মেয়েটির সাহসকে আমরা স্যালুট জানাই। এমন অপরাধ যেন আর কেউ করার সাহস না পায়, তার জন্য পুলিশ সর্বোচ্চ পদক্ষেপ নেবে।

অক্টোবর ১৪, ২০২৫
রাজ্য

দুর্গাপুরে ডাক্তারি ছাত্রীর ‘গণধর্ষণ’, তিন অভিযুক্ত গ্রেফতার — সহপাঠীর ভূমিকাও প্রশ্নের মুখে

দুর্গাপুরে কলেজ ছাত্রীকে অপহরণ করে গণধর্ষণের অভিযোগে তীব্র চাঞ্চল্য। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গ্রেফতার করা হয়েছে তিন অভিযুক্তকে। তাঁদের রবিবার দুর্গাপুর মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক ১০ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন।ঘটনাস্থল কলেজ ক্যাম্পাস থেকে মাত্র ৭০০ মিটার দূরে, ঘন ঝোপঝাড়ে ঘেরা এলাকায়। পুলিশ জানায়, সেখানে দীর্ঘদিন ধরেই বসে নেশার ঠেকমদ ও গাঁজা বিক্রির আড্ডা। শনিবার রাতে ওই ঠেকেই ছিলেন তিন অভিযুক্ত। তখনই তাঁরা কলেজের ডাক্তারি ছাত্রী এবং তাঁর এক সহপাঠীকে রাস্তায় হাঁটতে দেখে প্রথমে তরুণীকে উত্ত্যক্ত করতে শুরু করেন। এর পর তাঁকে জোর করে টেনে নিয়ে গিয়ে জঙ্গলে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ।পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনাকালীন তরুণীর মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় অভিযুক্তরা। পরে তদন্তে ধৃতদের কাছ থেকেই তরুণীর ফোন উদ্ধার হয়েছে। পুলিশ দাবি করেছে, তিন জনের বিরুদ্ধেই প্রত্যক্ষ প্রমাণ মিলেছে। তদন্তকারীদের একটি সূত্র জানিয়েছে, সহপাঠীকে পালিয়ে যেতে দেখে তরুণী কলেজের বন্ধুদের ফোন করেছিলেন। পরে তাঁর বন্ধুরাই ওই সহপাঠীকে ঘটনাস্থলে ফের যেতে বলেন। এই সময়েই নির্যাতিতাকে ধর্ষণ করা হয় বলে প্রাথমিক তদন্তে ধারণা পুলিশের।ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পরেই পুলিশ ওই সহপাঠীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। তাঁর বয়ানেই পুরো ঘটনার প্রাথমিক তথ্য মিলেছে বলে সূত্রের খবর। তরুণীর সঙ্গে কথা বলেছেন ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট রঞ্জনা রায়।কলেজ কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, রাত ৭টা ৫৮ মিনিটে সহপাঠীর সঙ্গে ক্যাম্পাস থেকে বেরিয়েছিলেন তরুণী। ৮টা ৪২ মিনিটে সহপাঠী একা ফিরে আসেন, গেটের কাছে কিছুক্ষণ ঘোরাঘুরি করে ফের বাইরে যান। পরে রাত ৯টা ২৯ মিনিটে দুজন একসঙ্গে কলেজে ফেরেন। ৯টা ৩১ মিনিটে তরুণী নিজের হস্টেলে ফিরে যান।অভিযোগ, তরুণীর বাবার দাবি অনুযায়ী, তাঁর মেয়েকে বাইরে নিয়ে গিয়েছিলেন সেই সহপাঠীই, এবং ধৃত তিন জন ওই ছাত্রেরই বন্ধু। তাঁর কথায়, রাত ১০টার দিকে ওর বন্ধু ফোন করে জানায়, আমার মেয়েকে ধর্ষণ করা হয়েছে। ওর এক বন্ধু ওকে খেতে নিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু যখন দু-তিন জন মেয়েকে ঘিরে ধরে, তখন ওর বন্ধুটি পালিয়ে যায়।এখনও পর্যন্ত তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে পুলিশ মনে করছে, ঘটনায় আরও কয়েক জন যুক্ত থাকতে পারে। তাঁদের খোঁজে চলছে তল্লাশি অভিযান

অক্টোবর ১২, ২০২৫
দেশ

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দুর্গাপুরে ৫০০০ কোটির বেশি মূল্যের প্রকল্পের সূচনা করবেন

আগামীকাল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দুর্গাপুরে তেল ও গ্যাস, বিদ্যুৎ, সড়ক ও রেল খাতে একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের শিলান্যাস, উদ্বোধন ও জাতির উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করবেন।১৯৫০ কোটি টাকার বেশি অর্থ বরাদ্দে তেল ও গ্যাস পরিকাঠামোয় প্রধানমন্ত্রী বাঁকুড়া ও পুরুলিয়া জেলায় ভারত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন লিমিটেড (BPCL)-এর সিটি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন (CGD) প্রকল্পের শিলান্যাস করবেন। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ঘরোয়া, বাণিজ্যিক ও শিল্পগ্রাহকদের PNG সংযোগ প্রদান করা হবে, রিটেল আউটলেটে CNG উপলব্ধ থাকবে এবং এই অঞ্চলে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।প্রধানমন্ত্রী দুর্গাপুর-হলদিয়া প্রাকৃতিক গ্যাস পাইপলাইনের দুর্গাপুর থেকে কলকাতা পর্যন্ত ১৩২ কিমি দীর্ঘ অংশটিও জাতির উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করবেন, যা প্রধানমন্ত্রী উর্জা গঙ্গা (PMUG) প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত জগদীশপুর-হলদিয়া ও বোকারো-ধামরা পাইপলাইন প্রকল্পের অংশ। আনুমানিক ১,১৯০ কোটি টাকার এই প্রকল্পটি পূর্ব বর্ধমান, হুগলি ও নদিয়া জেলার মধ্যে দিয়ে গিয়েছে। স্থানীয়দের জন্য এই পাইপলাইন নির্মাণকালে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে এবং এখন লক্ষাধিক পরিবারকে প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহে সহায়তা করবে।পরিবেশবান্ধব শক্তি উৎপাদনের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী দুর্গাপুর স্টিল থার্মাল পাওয়ার স্টেশন এবং রঘুনাথপুর থার্মাল পাওয়ার স্টেশনে ফ্লু গ্যাস ডিজালফারাইজেশন (FGD) সিস্টেম সংযোজনের প্রকল্পটিও জাতির উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করবেন, যার আনুমানিক ব্যয় ₹ ১,৪৫৭ কোটি টাকা। এটি এলাকার পরিবেশ ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে।রেল পরিকাঠামো উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী পুরুলিয়া জেলার পুরুলিয়া-কোটশিলা রেললাইন দ্বিগুণ করার ৩৬ কিমি দীর্ঘ প্রকল্পটিও জাতির উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করবেন, যার ব্যয় প্রায় ৩৯০ কোটি। এই প্রকল্পটি জামশেদপুর, বোকারো ও ধানবাদের শিল্পাঞ্চলের সঙ্গে রাঁচি ও কলকাতার সংযোগ উন্নত করবে, পণ্য পরিবহনের গতি বাড়াবে এবং শিল্প ও ব্যবসার ক্ষেত্রে লজিস্টিক্স সুবিধা উন্নত করবে।সেতু ভারতম প্রকল্পের অধীনে পশ্চিম বর্ধমানের তোপসি ও পাণ্ডবেশ্বরে নির্মিত দুটি রোড ওভার ব্রিজ (ROBs)-এর উদ্বোধনও প্রধানমন্ত্রী করবেন, যার মোট ব্যয় প্রায় ৩৮০ কোটি টাকা। এই সেতুগুলি রেল লেভেল ক্রসিংয়ে দুর্ঘটনা রোধ এবং এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে সহায়তা করবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দুর্গাপুরে তেল ও গ্যাস, বিদ্যুৎ, সড়ক ও রেল খাতে একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের শিলান্যাস, উদ্বোধন ও জাতির উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করবেন

জুলাই ১৭, ২০২৫
রাজ্য

জলমগ্ন একাধিক গ্রাম, জল ছাড়ছে ডিভিসি, দুর্গাপুর ব্য়ারেজ পরিদর্শন সেচমন্ত্রীর

দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে মঙ্গলবার থেকে ভারি বৃষ্টিপাত চলছে। পাঞ্চেত, মাইথন থেকে জল ছাড়ার পরে দুর্গাপুর ব্যারাজ থেকেও যথারীতি জল ছাড়া শুরু হয়েছে। আজ, শুক্রবার ৪৬ হাজার কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে বলে সেচমন্ত্রী মানস ভুঁইয়া জানিয়েছেন। সেচমন্ত্রী মানস ভুইয়া দুর্গাপুর ব্যারাজের সংস্কারের কাজের পর চালু ব্যারাজ রাস্তা পরিদর্শনে আসেন। সেচমন্ত্রী বলেন, ৪৫ দিনের মধ্যেই কাজ শেষ করা হয়েছে। বর্ষা এসে গিয়েছে। ফলে বাকি যেসব কাজ রয়েছে তা বর্ষার পরেই শুরু হবে।দুর্গাপুর ব্যারাজের পরিদর্শনের সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সেচমন্ত্রী বাংলার প্রতি কেন্দ্রীয় সরকারের ইচ্ছাকৃত বঞ্চনার কথা তুলে ধরেন। সেচমন্ত্রী বারবার বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারের যে দায়িত্ব রয়েছে তা পালন করছে না এবং রাজ্যের হকের টাকা কেন্দ্র দিচ্ছে না। তাই ড্রেজিং করা সম্ভব হচ্ছে না। রাজ্য ও ডিভিসির মধ্যে বারবার জল ছাড়া নিয়ে যে বিতর্ক দেখা দেয় তা নিয়ে কোন মন্তব্য না করে সেচমন্ত্রী বলেন, এই মুহুর্তে এই বিতর্কে যাব না। ৪৫ দিনের মধ্যেই কাজ শেষ করা হয়েছে। মাঝে ছয় দিন প্রচন্ড বৃষ্টি হয়েছিল বলে কাজে কিছু অসুবিধা দেখা দিয়েছিল। তবু কাজ ৪৫ দিনের মধ্যেই শেষ করা গিয়েছে। হায়দ্রাবাদ থেকে রাবার সিল আসছে তা দিয়ে কাজ করা হবে।সেচমন্ত্রী বলেন, দেড় মাস দুর্গাপুর ব্যারাজে জল ধরে রাখা হয়। এরপরে দুর্গাপুর, মাইথন ও পাঞ্চেত নিয়ে একটি সেল গঠন করা হয়েছে এবং মনিটরিং করা হচ্ছে জল ছাড়া নিয়ে যেন মানুষের ক্ষতি না হয়। সেচমন্ত্রী বলেন, প্রচন্ড বৃষ্টি হচ্ছে এবং বিভিন্ন জেলা এবং ঝাড়খণ্ডের জল নামছে ফলে সমস্ত বিষয়ের উপরে নজর রাখা হয়েছে।তেনুঘাট নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সেচমন্ত্রী বলেন, মুখ্যমন্ত্রী, সেচ দপ্তরের কর্তারা এবং আমি নিজে বারবার কথা বলেছি। তেনুঘাটকে নিয়ন্ত্রণে রেখে অপারেট করা যায়।সেচমন্ত্রী একাধিকবার বলেন, মুখ্যমন্ত্রী এবং সেচ দপ্তর মাইথন, পাঞ্চেত এবং দুর্গাপুর ব্যারাজের জল ছাড়া নিয়ে নজর রেখেছেন । আজ ৪১ হাজার কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে। বন্যার যন্ত্রণা যাতে পেতে না হয় তার প্রতি সজাগ রয়েছেন প্রশাসনিক কর্তারা এবং আজ বাঁকুড়ায় আসছেন পরিস্থিতি নিয়ে আলচনা করতে। রাস্তার বিষয় নিয়ে তিনি বলেন, পি ডাব্লু ডিকে নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বৃষ্টি কমলেই।সেচমন্ত্রী ব্যারাজগুলির গভীরতা কমে যাওয়ার জন্য কার্যত কেন্দ্রীয় সরকারের টাকা না দেওয়ার কথা তুলে ধরেন। সেচমন্ত্রী বলেন, ১২ বছর ধরে কেন্দ্রের জলসম্পদ দপ্তর, প্রধানমন্ত্রীকে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার দেখছি দেখছি করে পার করে দিচ্ছে কিন্তু রাজ্যের হকের টাকা দিচ্ছে না। সেচমন্ত্রী বিজেপি সরকারের বাংলাকে বঞ্চনা করার কথা তুলে ধরেন। বন্যার প্রসঙ্গে সেচমন্ত্রী বলেন, আমরা প্রার্থনা করছি যেন বন্যার মুখে পড়তে না হয় কিন্তু দেড় মাস জল ধরে রাখা হয় আর তারপরে রয়েছে প্রচন্ড বৃষ্টি, ফলে জলের চাপ বাড়ছে, সেদিকেই নজর রাখতে হচ্ছে।দুর্গাপুর ব্যারাজের এক নম্বর গেটে বেশ কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছে । সাংবাদিকেরা এ নিয়ে সেচমন্ত্রীকে প্রশ্ন করলে সেচমন্ত্রী বলেন, সব দিক নজরে রাখা হয়েছে, সংস্কার হবে। তিনি এরপরে আবার বলেন, কেন্দ্রিয় সরকারের কাছ হতে এক কানা কড়ির সাহায্য পাইনি। মুখ্যমন্ত্রী নিজের রাজ্যের কোষাগার থেকেই খরচ করে কাজ করছেন। তিনি এরপরেই পরিসংখ্যান তুলে ধরেন কিভাবে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সীমিত আর্থিক ক্ষমতায় এবং কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনার পরেও কাজ করে চলেছেন। সেচমন্ত্রী জোড়ের সাথে বলেন, একটা নয়া পয়সা কেন্দ্রের সরকার দেয় নি। তবু একের পর এক কাজ হচ্ছে এবং এটাও করা হবে।

জুন ২০, ২০২৫
রাজ্য

বিয়ে বাড়ির অনুষ্ঠানে চলল গুলি, মৃত যুবক

বিয়ে বাড়ির অনুষ্ঠানে এসে বর পক্ষের সাথে কনে পক্ষের হাতাহাতি, ভাঙচুর বিয়ে বাড়িতে। খুনের অভিযোগ কনে পক্ষের একজনকে।কনে পক্ষের দাবি খুন করা হয়েছে আশিষ বেদ নামে বছর ২০ র এক যুবককে, গুলির শব্দ শোনা গেছে বলে এলাকাবাসীর দাবি। ঘটনাকে ঘিরে দুর্গাপুরের অমরাবতী সংলগ্ন ভ্যামবে কলোনি হরি মন্দির সংলগ্ন এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য। পুলিশ ঘিরে রেখেছে ঘটনাস্থল। গতকাল এই এলাকায় একটি বিয়ে বাড়ির অনুষ্ঠান ছিল, বিয়ে বাড়িতে আসানসোল থেকে বর পক্ষের লোকজন আসার কিছুক্ষন পর বিয়ে বাড়ির ডান্স প্লাটফর্ম এ গান চেঞ্জ করাকে কেন্দ্র করে অশান্তির শুরু, গান চেঞ্জ করতে রাজি হয়নি কনেবাড়ির লোকজন, এরপরই শুরু হয় দু পক্ষের হাতাহাতি, ঠিক এইসময় কনে বাড়ির আত্মীয় আর্টিস্ট বেদকে টেনে হিচড়ে নিয়ে এসে খুনের অভিযোগ কনে বাড়ির লোকজনদের, গুলি করে খুনের অভিযোগও আনছে এলাকার মানুষ। তবে ঠিক কি কারণে এই মৃত্যু তা নিয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। ময়না তদন্তর জন্য আর্টিস্ট বেদের মৃতদেহ দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে পাঠায় নিউ টাউনশিপ থানার পুলিশ। গোটা ঘটনার জেরে টানটান উত্তেজনা দুর্গাপুরে ভ্যাঁমবে কলোনি এলাকায়।নিউ টাউনশিপ থানার পুলিশ অক্ষয় বেদ, নামে একজনকে আটক করেছে, আরো কয়েকজনকে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে।

মার্চ ১০, ২০২৫
রাজ্য

গাড়ি উল্টে তরুণীর মৃত্যু, শেষমেশ গ্রেফতার বাবলু যাদব, বাকিরা অধরা

রবিবার গভীর রাত্রে পানাগড়ে মর্মান্তিক মৃত্যু হয় হুগলির চন্দননগরের সুতন্দ্রা চট্টোপাধ্যায়ের(২৭)। এই মৃত্যুর ঘটনায় পানাগড়ের কয়েকজন যুবকের বিরুদ্ধে কটুক্তির অভিযোগ ওঠে। যে সাদা রংয়ের গাড়িতে করে ওই যুবতীকে কটুক্তি করার অভিযোগ ওঠে সেই গাড়ির মধ্যে ছিলেন গাড়ির মালিক বাবলু যাদব। রবিবার দুর্ঘটনার পর থেকেই এলাকা ছাড়া বাবলু ও গাড়িতে থাকা বাকিরা। কাঁকসা থানার পুলিশ বাবলু যাদব সহ বাকিদের সন্ধানে মঙ্গলবার বাবলু যাদবের বাড়িতে যায় এসিপি সুমন কুমার জয়সওয়াল। ঘটনার চার দিনের মাথায় বাবলু যাদবকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।অভিযুক্ত বাবলু যাদবকে গ্রেফতার করলেও বাকিরা এখনও অধরা। পুলিশের বিশেষ দল তাকে গ্রেফতার করেছে। আসানসোলের নিঘা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। প্রসঙ্গত, ওই ঘটনায় প্রথমে ইভটিজিংয়ের দাবি করেছিল পরিবার। যদিও পুলিশ ইভটিজিংয়ের তত্ত্ব খারিজ করে দিয়েছে। বরং পুলিশ দাবি করা হয়েছে, দুটি গাড়ির রেষারেষির জেরেই ঘটে দুর্ঘটনা। সুতন্দ্রা চট্টোপাধ্যায়ের মা এদিন বলেছেন, যদিও গ্রেফতার হয়েছে একজন। বাকিদেরও গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করুক। আমি চাই সেদিনের ঘটনায় যাঁরা ছিলেন সবাইকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হোক। পুলিশ কি আগে সেভাবেব তৎপরল হয়নি। ওই গাড়ির একজনকে গ্রেফতার করল। আমি সন্তানহারা হয়েছি। আমি চাই ছেলে বা মেয়ে হোক নির্বিশেষে সুরক্ষা থাকে। নিজের খুশি মত বাইরে বের হতে পারে। কেউ অসুস্থ হলে বাইরে ওষুধ আনতে কেউ যেতে পারবে না। সমাজে নিরাপত্তা পাওয়া তো অধিকার। কেন এই নিরাপত্তা পাব না। প্রত্যেককে নিরাপত্তা দেওয়া হোক।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৫
রাজ্য

পানাগড়ে তরুণীর মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় মূল অভিযুক্ত বাবলু যাদব কে? তদন্তে সিআইডি

রবিবার গভীর রাত্রে পানাগড়ে মর্মান্তিক মৃত্যু হয় হুগলির চন্দননগরের সুতন্দ্রা চট্টোপাধ্যায়ের(২৭)। এই মৃত্যুর ঘটনায় পানাগড়ের কয়েকজন যুবকের বিরুদ্ধে কটুক্তির অভিযোগ ওঠে। যে সাদা রংয়ের গাড়িতে করে ওই যুবতীকে কটুক্তি করার অভিযোগ ওঠে সেই গাড়ির মধ্যে ছিলেন গাড়ির মালিক বাবলু যাদব। রবিবার দুর্ঘটনার পর থেকেই এলাকা ছাড়া বাবলু ও গাড়িতে থাকা বাকিরা। কাঁকসা থানার পুলিশ বাবলু যাদব সহ বাকিদের সন্ধানে মঙ্গলবার বাবলু যাদবের বাড়িতে যায় এসিপি সুমন কুমার জয়সওয়াল। ঘটনার দুদিন কেটে গেলেও এখনও বাবলু যাদবকে গ্রেফতার না করায় ক্ষোভ বাড়ছে এলাকার বাসিন্দাদের। কেন এই বাবলু যাদব কে এখনও পর্যন্ত পুলিশ গ্রেপ্তার করতে পারছে না? সেই নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে।কে এই বাবলু যাদব ?স্থানীয় সূত্রে খবর, উত্তরপ্রদেশ থেকে প্রায় দশ বছর আগে পানাগড়ে আসে বাবলু যাদব। পানাগড় বাজারের কাওয়ারি মার্কেটে এক ব্যক্তির দোকানে কাজ শুরু করে। সেখান থেকে পরে লোহার যন্ত্রাংশ অল্প পরিমাণে কেনা বেচার ব্যবসা শুরু করে। মূলত ছোট এবং বড় গাড়ির স্প্রিং পাতির ব্যবসা করতো বাবলু। পরে এই ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত এক বাংলাদেশের ব্যবসায়ীর সঙ্গে তার যোগাযোগ হয়। পানাগড়ে কাওয়ারি মার্কেটে মূলত পুরনো গাড়ির স্পেয়ার পার্টস কেনা বেচার বিরাট এলাকা জুড়ে ব্যবসা চলে। অবৈধ গাড়ির কেনা বেচা হয় সমস্তটাই পুলিশের নজর এড়িয়ে। মূলত এখানে ভিন রাজ্য থেকে বড় এবং ছোট গাড়ি কিনে এনে সেগুলিকে কাটাই করে তার সমস্ত যন্ত্রাংশ আলাদা করার পর লোহার কেজি দরে বিক্রি করা হয়। সেখান থেকেই গাড়ির স্প্রিং পাতি কিনে সেগুলি অবৈধভাবে বাংলাদেশ পাচার করত বাংলাদেশী এক ব্যবসায়ীর হাত ধরে। এই ব্যবসা শুরু করার পর মাত্র দু বছরের মধ্যে রীতিমত ফুলে ফেঁপে ওঠে এই বাবলু যাদব। কাওয়ারি মার্কেটের মধ্যে একজন বড় ব্যবসায়ী হিসেবে তার পরিচিতি বাড়ে। স্প্রিং পাতির ব্যবসার সাথে চোরাই গাড়ি ও পুরনো গাড়ি কিনে সেগুলি বেআইনিভাবে কাটাই করে শুরু হয় আরো একটি ব্যবসা। পুলিশের নজর এড়িয়ে রমরমিয়ে চলতো তার ব্যবসা। গত এক বছর আগে ভিন রাজ্য থেকে একটি লরি কিনে এনে পানাগড় বাইপাসের ধারে একটি ফাঁকা জায়গায় লরিটি কাটাই করার সময় বুদবুদ থানার পুলিশ অভিযান চালিয়ে হাতেনাতে ধরে। বাবলু যাদবের নামে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। বুদবুদ থানার পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয় বাবলু যাদব ও তার সঙ্গী সাথীরা। বাজেয়াপ্ত হয় ভিন রাজ্যের একটি গাড়ির বিভিন্ন পার্টস ও লরির যন্ত্রাংশ।আদালতে পেশ করার পর তারা পরে জামিনে মুক্তি পায়। রবিবার গভীর রাত্রে সেই বাবলু যাদব গাড়ির মধ্যে ছিলেন বলে দাবি করেছেন এসিপি সুমন কুমার জয়সওয়াল। যদিও এসিপি জানিয়েছেন তারা বাবলু যাদবকে শীঘ্রই গ্রেফতার করবে। অন্যদিকে মঙ্গলবার কাঁকসা থানার ঘটনার তদন্তে নামে সিআইডি আধিকারিকরা। এদিন কাঁকসা থানায় আটক হওয়া দুর্ঘটনাগ্রস্থ দুটি গাড়ি খতিয়ে দেখার পাশাপাশি গাড়ি দুটির ছবি ও নমুনা সংগ্রহ করেন সিআইডি আধিকারিকরা। পাশাপাশি পানাগড়ের রাইস মিল মোরে দুর্ঘটনাস্থল খতিয়ে দেখেন তারা। এদিন কাঁকসা থানার পুলিশ আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে গিয়ে গোটা এলাকা ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে দেয়। ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয় দুই সিভিক ভলেন্টিয়ারকে। যদিও এদিন পুলিশের পক্ষ থেকে সিআইডির হাতে অফিসিয়ালি কোনও তদন্তভার তুলে দেওয়া হয়নি বলে তারা জানিয়েছেন। অন্যদিকে মঙ্গলবার বিকেলে কাঁকসা থানায় আসেন আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের ডিসিপি ইস্ট অভিষেক গুপ্তা। এদিন তিনি দুর্ঘটনা গ্রস্থ গাড়ি দুটি খতিয়ে দেখেন। এদিন সাংবাদিকরা ডিসিপি-কে ঘটনার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে গেলে। সাংবাদিকদের উপর ক্ষুব্ধ হন ডিসিপি অভিষেক গুপ্তা।এদিন তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন, যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে তাদেরকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি শুধুমাত্র মিডিয়া সন্ত্রাসের কারণে। মিডিয়ায় খবর দেখে সকলে গা ঢাকা দিয়েছে। তার দাবি, সংবাদ মাধ্যমে সোমবার সকাল থেকে যে খবর দেখানো হয়েছে তা সত্য নয়। সোমবার আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের সিপি দাবি করেন কোনরকম ইভটিজিংয়ের মতো ঘটনা ঘটেনি। রেষারেষির কারণেই দুর্ঘটনা ঘটে। সেই কথা মঙ্গলবার বিকেলে কাঁকসা থানায় এসে ফের দাবি করেন ডিসিপি।পুলিশ জানিয়েছে, ১০৫ ও ৩০৪ ধারায় মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।গত রবিবার গভীর রাত্রে হুগলির চন্দননগর থেকে সুতন্দ্রা চ্যাটার্জি একটি ছোট গাড়িতে করে চালকসহ পিছনে তিনজনকে সাথে নিয়ে বিহারের গয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন। সেখানে তাদের একটি নাচের অনুষ্ঠান ছিল। বুদবুদের আগে জাতীয় সড়কের ধারে একটি পেট্রোল পাম্পে তারা গাড়িতে তেল ভরার পর। জাতীয় সড়ক ধরে আসানসোলের দিকে যাওয়ার সময় একটি সাদা রঙের ছোট গাড়ি থেকে ৫ জন যুবক তাদের কটুক্তি করে বলে অভিযোগ ওঠে। দুটি গাড়ির মধ্যে কয়েকবার সংঘর্ষ হয়। এরপরই সাদা গাড়িতে থাকা পানাগড়ের বাসিন্দাদের গাড়ি ধাওয়া করে সুতন্দ্রার চার চাকাটি। পানাগড় বাজারের রাইস মিল রোডে সাদা গাড়িটি রাইস মিল রোডে ঢোকার মুখে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। সেখানে দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই মারা যায় সুতন্দ্রা।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৫
রাজ্য

মদ্যপ যুবকদের গাড়ির তাড়াতে দুর্ঘটনায় মৃত্য যুবতীর, পুলিশের পাল্টা দাবি!

নারী সুরক্ষা নিয়ে বড়সড় প্রশ্নের মুখে রাজ্য। এবার জাতীয় সড়কে তরুণীর গাড়ি লক্ষ্য করে ধাওয়া মদ্যপ যুবকদের। পালাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায় তরুণীদের গাড়িটি। গুরুতর জখম হয়ে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই মৃত্যু হয় হুগলির চন্দননগরের বাসিন্দা ওই তরুণীর। যদিও আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের দাবি, দুটি গাড়ি রেষারেষি করছিল। কটূক্তি বা তাড়া করার বিষয়টি মানতে চায়নি পুলিশ।চন্দননগরের বাসিন্দা সুতন্দ্রা চট্টোপাধ্যায়। পেশায় একটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থার কর্মী সুতন্দ্রা। রবিবার মাঝ রাতে তাঁর সহকর্মীদের নিয়ে একটি গাড়ি করে চন্দননগর থেকে গয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন সুতন্দ্রা। সুতন্দ্রাদের গাড়ি চালকের দাবি, পূর্ব বর্ধমানের বুদবুদে পৌঁছে তেল ভরার জন্য তাঁরা একটি পেট্রোল পাম্পে গিয়েছিলেন। পেট্রোল পাম্প থেকে তেল ভরার পরেই তাঁদের গাড়িকে ধাওয়া করে অন্য একটি গাড়ি।সেই গাড়িতে ছিল পাঁচ যুবক। ওই যুবকরা প্রত্যেকে মদ্যপ অবস্থায় ছিল বলে অভিযোগ। সুতন্দ্রাকে তারা কটুক্তি করতে থাকে, এরপরই সুতন্দ্রাদের গাড়ি ধাওয়া করতে শুরু করে যুবকদের গাড়িটি। কোনওক্রমে গাড়ি নিয়ে পালাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি রাস্তার পাশের দোকানে ধাক্কা মারে সুতন্দ্রাদের গাড়ি। মুহূর্তের মধ্যে গাড়িটি উল্টে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় এবার সুতন্দ্রা চট্টোপাধ্যায়কে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। সুতন্দ্রাদের গাড়িতে থাকা প্রত্যেকেই চোট পেয়েছেন।পরবর্তী সময়ে ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে যায় পুলিশ। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে কাঁকসা থানার পুলিশ। তবে অভিযুক্তরা এখনও অধরা রয়েছে। জাতীয় সড়কের CCTV ফুটেজ খতিয়ে দেখে অভিযুক্তদের শনাক্ত করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যে নারী সুরক্ষা নিয়ে ফের বড়সড় প্রশ্ন উঠে গিয়েছে।পেট্রোল পাম্প থেকেই বারে বারে সাদা গাড়িটি আমাদের গাড়িটিকে ওভারটেক করে। যখন তেল ভরে পেট্রোল পাম্প থেকে গাড়ি নিয়ে বেরোতে যায় তখনই আমাদের গাড়িটিকে বাঁ দিকে চেপে দেয় কিছু দূর গিয়ে আচমকা ব্রেক কষে। তরুণী মৃত্যুতে বিস্ফোরক বয়ান গাড়ির চালকের। দুর্ঘটনার পর ওই গাড়ি চালক দাবি করেন, পেট্রোল পাম্প থেকে বেরোনোর পরেই ওদের গাড়িটা আমাদের গাড়িতে এসে ধাক্কা দেয়। ম্যাডামের দিকে হাত নেড়ে অশ্লীল ইঙ্গিত করছিল ওরা। আমি গাড়ি থামালে ওরা ম্যাডামকে নামিয়ে তুলে নিয়ে চলে যেতে পারত। এদিকে গোটা ঘটনায় অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবি করেছে মৃতার মা। মাত্র ৮ মাস আগেই স্বামীকে হারিয়েছেন। এবার পথদুর্ঘটনায় মেয়ের মৃত্যুতে স্বাভাবিক ভাবেই বাকরুদ্ধ। হুগলির চন্দননগরের ২ নম্বর ওয়ার্ডের নাড়ুয়া রায়পাড়ার পুরোনো দোতলা বাড়িতে আজ শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সরু একচিলতে গলির ধারে বাড়িটির বাইরে এলাকার মানুষজন এবং মিডিয়ার ভিড়। নিজস্ব ট্রুপ নিয়ে প্রোগ্রাম করতে বেরিয়েছিলেন ওই বাড়ির মেয়ে বছর ২৭ এর সুতন্দ্রা চট্টোপাধ্যায়। গন্তব্য ছিল গয়া। গতকাল রাতেই ঘটে যায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৫
রাজ্য

দুর্গাপুরে কোটি টাকা ছিনতাইয়ে যুক্ত দুই পুলিশ কর্তা! অভিযোগে গ্রেফতার মোট ৬

দিল্লির এক ব্যবসায়ীর এক এজেন্টের কাছ থেকে জাতীয় সড়কে গাড়ি দাঁড় করিয়ে ছিনতাই করা হয় এক কোটি এক লক্ষ টাকা। আর এই ছিনতাই কাণ্ডে জড়িয়ে গেল দুই পুলিশ কর্তা। ছিনতাইয়ের ঘটনায় দুর্গাপুর পুলিশের কর্তা ও সিআইডি দুর্গাপুরের এক কর্তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়াও গ্রেফতার হয় পুলিশের কাজ থেকে বরখাস্ত এক কর্মী। মোট ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানান অভিষেক গুপ্তা। শনিবার তাদেরকে আদালতে তোলা হবে। ডিসি জানান এখন তদন্ত চলছে, পুলিশ বলে ছাড় দেওয়া হবে না। আইন আইনের পথেই চলবে। এই ঘটনা নিয়ে সকাল থেকেই দুর্গাপুর উত্তাল ছিল। ডিসিপি অভিষেক গুপ্তা বলেন, দিল্লীর এক ব্যবসায়ী এক কোটি এক লক্ষ টাকা নিয়ে সড়কপথে কলকাতা যাচ্ছিল। সেই সময় ডিভিসি মোড়ের কাছে টাকা লুঠ করে দুস্কৃতীরা। যার মধ্যে ছিলেন দুই পুলিশ কর্তা। ডিসিপি বলেন, দিল্লীর ব্যবসায়ীর সাথে যোগাযোগ ছিল যাদের তারাও ছিল এর মধ্যে। কোন টাকা উদ্ধার হয়নি। তদন্ত চলছে তবে ব্যবসায়ীর পরিচিত লোকেরা যুক্ত রয়েছে। আইন আইনের পথেই চলবে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৪
উৎসব

ডিহিপাড়ার 'বানেশ্বরের' গাজনের এক অজানা লোমহর্শক কাহিনী

বাঁকুড়া জেলার ডিহিপাড়া গ্রামে মধুকেশ্বর শিবের মূর্তি স্থাপন ও পুজারম্ভ শুরু হয় বাংলার ১২৩০ এ। জানা যায় গাজন ও চড়ক উৎসব তাঁর অনেক আগে থেকেই চালু ছিল এই এলাকায়। এই ব্যাপারে ডিহিপাড়া গ্রামে আদি বাসিন্দা রাখহরি চট্টোপাধ্যায় জনতার কথা কে বলেন, জনশ্রুতি, এখন যে জায়গায় মন্দিরটি অবস্থিত সেখানে আগে ঘন জঙ্গল ছিল। দামোদরের পারে আবস্থিত ডিহিপাড়া গ্রামের সেই জঙ্গলে দামোদরের অপরদিক থেকে একটি গাভীকে প্রায়-ই দামোদর নদ সাঁতরে এপারে জঙ্গলে আসতে দেখা যেত। এবং গাভীটি দামোদর পেরিয়ে এসে ওই ঘন জঙ্গলে প্রবেশ করত।তিনি জানান, স্থানীয়রা বেশ কিছুদিন যাবৎ ওই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি দেখে, কৌতুহলবশত একদিন ওই জঙ্গলে প্রবেশ করে দেখেন, গাভীটি এক জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে এবং তাঁর বাঁট থেকে দুধ ঝড়ে পড়ছে একটি নির্দিষ্ট স্থানে। স্থানীয় মানুষজন আরো কৌতুহলে গাভীটিকে সেখান থেকে সরিয়ে দিয়ে যায়গাটা পরিষ্কার করতেই তারা যে দৃশ্য দেখেন, তা দেখে তারা নির্বাক হয়ে যান। তাঁরা দেখেন, যে যায়গাটিতে ওই গাভীর বাঁট থেকে আঝোর ধারায় দুধ ঝড়ে পড়ছিল, সেখানে একটি প্রস্তরের শিব লিঙ্গ। সেই থেকেই মধুকেশ্বর শিবের পুজা আরম্ভ হয়।রাখহরি চট্টোপাধ্যায় বলেন, ডিহিপাড়া-র গাজন উৎসব চার দিন ধরে হয়, যার সমাপ্তি ঘটে চৈত্র সংক্রান্তিতে। তার আগে ৮ দিন ধরে বাবা মধুকেশ্বরকে পরমান্ন দেওয়া হয়, এবং সেই প্রসাদ সারা গ্রামেই বিতরণ করা হয়। মধুকেশ্বরের গাজনে প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ জন ভক্ত (সন্যাস) হয়। গাজন শুরুর আগেরদিন স্নান করে শুদ্ধ বসনে বাবা মধুকেশ্বরের আটচালায় প্রবেশ করেন ভক্তেরা। তাঁর পরেরদিন বাবা বানেশ্বর কে স্নান করিয়ে পুজাপাঠ করা হয়। কথিত আছে শিব উপাসক বান রাজা দ্বারকাধীশ শ্রীকৃষ্ণ-র সহিত যুদ্ধে ক্ষতবিক্ষত হয়ে মহাদেবের প্রীতি উৎপাদন করে অমরত্ত্ব লাভের আকাঙ্খায় নিজ গাত্র লোহিত দ্বারা মহাদেবকে তুষ্ট করে অভীষ্ট সিদ্ধ করে, সেই কারনে মহাদেব বা শিব কে বানেশ্বর-ও বলা হয়ে থাকে।রাখহরি চট্টোপাধ্যায় জানান এটি (বানেস্বর) সিঁদুর মোচিত লম্বা এক কাঠের পাটা বিশেষ। বংশ পরম্পরায় কর্মকার (কামার) সম্প্রদায়ের একজন একটি লৌহ শলাকা পুজার আগে ওই কাঠের পাটাতনে পোথিত করে দিয়ে যায়। এরপর বানেশ্বরকে সমগ্র গ্রাম ও দেবত্ত স্থানে ঘোরানো হয়। সন্ধ্যা বেলায় সেটিকে একটি প্রতিষ্টিত পুকুরে স্নান ও পুজার্চনা করিয়ে মন্দিরে আনা হয়। এই পুজা অনুষ্ঠানে ভক্ত সন্যাসীদের বিভিন্ন দৈহিক যন্ত্রণা ধর্মের অঙ্গ হিসাবে বিবেচিত হয়।অনেক ভক্তকেই একটি কাঠের দন্ড থেকে ওপরে পা বেঁধে নিচের দিকে মাথা করে ঝুলতে দেখা যায় এবং তাঁকে অন্যরা দুলতে সাহায্য করেন। এবং নিচের দিকে আগুন জ্বলতেও দেখা যায়। এই অনুষ্ঠানের পর ভক্তরা নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে গিয়ে স্বপাক হোবৃশী ও ফলাহার করেন। তাঁদের ভোজনের সময় পুরো এলাকা নিস্তব্দ থাকে। খাওয়ার সময় কোনও শ্বব্দ হলে ভক্তদের খাওয়ায় বাধা পরে যাবে এবং তারা সেই খাবার গ্রহণ করতে পারবেন না।গাজনের দ্বিতীয় দিনটিকে দিন গাজন বলা হয়ে থাকে। সেই দিন বানেস্বরকে গ্রামের প্রতিটি বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পুজার্চনা করা হয়ে থাকে। সন্ধ্যাবেলা পুর্বদিনের মতই পুকুরে স্নান করিয়ে আগুন জ্বেলে ভক্তরা কাঠের পাটাতনে ঝুলতে থাকেন। এবং রাতে প্রতিষ্টিত পুকুরে চার প্রহরে চারবার পুজা করা হয়। এই পুজার্চনাকে স্থানীয় ভাবে ঘাটজাগানো বলা হয়ে থাকে। এবং ভোর রাতে মা কামাক্ষা কে ঘাটে আনার জন্য ঘাটে বিশেষ পূজার্চনা করে কপোত বলিদান করা হয়ে থাকে।কামাক্ষা দেবীকে মন্দিরে আনাটা ডিহিপাড়া গাজনের একটি বিশেষ আকর্শন। হাজার হাজার দর্শনার্থী ভিড় জমায় এই দৃশ্য দেখার জন্য। পাট ভক্তগন (সন্ন্যাসী) দেবীকে বহন করে মন্দিরে আনেন। ঢাকের ছন্দে নাচতে নাচতে মা আসেন মন্দিরে। একটি মাটির কলসিকে জলে নামিয়ে আড়াই বার ঢেউ দিয়ে যতটা ভরবে সেই ঘটটিকে মাথায় গামছা বেঁধে নিয়ে আসা হয়। গ্রামের আদি বাসিন্দা রাখহরি চট্টোপাধ্যায় জানান, মায়ের এমন-ই কৃপা, নাচলেও একফোঁটা জল ওই মাটির কলসি থেকে বেরিয়ে আসে না। এবং সেই কলসি ভর্তী করার সময় কোনোরূপ ঢাক বাজবে না। জানা যায় ঢাকের ছন্দে ভুল থাকলে মায়ের গতি রুদ্ধ হয়ে যায়। এবং সেই সময় মা কে সামনের দিকে আগিয়ে নিয়ে আসা যায় না। একটা নির্দিষ্ট জায়গায় এসে ভক্তিমূলক গান বাজিয়ে মাকে তুষ্ট করা হয়। তারপরই পাট ভক্তেরা প্রবল বেগে দৌড়ে মাকে নিয়ে মন্দিরে দিকে নিয়ে চলে আসেন।গাজনের তৃতীয় দিন বানেস্বর বা পাট নিয়ে নদীতে স্নান করতে যাওয়া হয়। সেখানে স্নান করে, পাশের একটি গ্রাম রাঙামাটি তে বিশ্রামালয়ে বিশ্রাম নিয়ে পুজার্চনা হয়। বানেশ্বরের আগমনে সেই যায়গাটিতে ছোট একটি মেলা বসে। রাত বাড়লে পাট মন্দিরে আসে। এবং সেই সময় আতশবাজি প্রদর্শন হয়। মন্দিরে আসার পর দেবতার উদ্দশ্যে হোমাহুতি ও যজ্ঞ করা হয়। হমের প্রথম তিলক মধুকেশ্বর ও দ্বিতীয় তিলক বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের তদানীন্তন মহারাজা গোপাল সিংহ কে উৎস্বর্গ করা হয়। এই গোপাল সিংহ-ই ছিলেন মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা। ওই রাতে চার প্রহর মধুকেশ্বর ও মা কামাক্ষা দেবীকে জাগিয়ে রাখার জন্য তাঁদের নামে বারংবার জয়ধ্বনী দেওয়া হয়।গাজনের চতুর্থ দিন চড়ক অর্থাৎ চৈত্র সংক্রান্তির দিনের শেষে পাট ভক্তরা পুকুরে স্নান করে মন্দির প্রাঙ্গণে নৃত্য করেন। চড়ক তলায় পুজা উপলক্ষে মনোহারি দ্রব্য, জিলাবি ও নানাবিধ খাওয়ার দোকানের পসরা নিয়ে মেলা বসে। পয়লা বৈশাখ বাংলা নববর্ষে গ্রামের বাসিন্দা ও গ্রামবাসীদের আত্মীয় স্বজন নিয়ে আন্নুকুটে অংশগ্রহন করেন। প্রায় ৪ হাজারের আশপাশ মানুষ এই অন্নকূটে আসেন। রাতে গাজনের শেষে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য মেনেই রাতে যাত্রাপালা, লোকগান, হরিনাম সংকীর্তন-র আয়োজন করা হয়। প্রত্যেক বছরই বহু মানুষের সমাগম হয় এই পুজতে। দূর দুরান্ত থেকে মানুষের অনেকেরই ধারনা স্বয়ম্ভু বানেশ্বরের পুজা অর্চনা করলে সংসারের মঙ্গল সাধন হবে।

এপ্রিল ১৩, ২০২৪
রাজ্য

রামমন্দিরকে কেন্দ্র করে এ কি কান্ড করলেন দুর্গাপুরের যুবক! চারদিকে শোরগোল

অযোধ্যায় মন্দিরের উদ্বোধন আগামী সোমবার। রামলালার জন্য বিভিন্ন রাজ্য থেকে এসে পৌঁছচ্ছে বিভিন্ন রকমের উপহার। আগামী ২২ জানুয়ারি প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে রামলালার। তার আগে গোটা দেশ রামমন্দির নিয়ে নানা কান্ড চলছে। এদিকে দুর্গাপুরের এক যুবকের কান্ড রীতিমতো শোরগোল ফেলে দিয়েছে।দুর্গাপুরের যুবক ছোটন ঘোষ মনু। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রজেক্ট তৈরি করে তিনি শহরবাসীকে অবাক করেছেন। চন্দ্রযান সফল অভিযানের পর তিনি বানিয়েছিলেন চন্দ্রযানের রেপ্লিকা। উড়িয়েছিলেন দুর্গাপুরের আকাশে। আবার দশ সিটের বাইক বানিয়ে তিনি চমকে দিয়েছিলেন সকলকে। আর এবার তিনি বানিয়েছেন রাম মন্দিরের রেপ্লিকা। অযোধ্যার রাম মন্দির তিনি কার্যত তুলে এনেছেন দুর্গাপুরের বুকে। অযোধ্যায় রাম মন্দির দেখার আগে শহরে বসেই রাম মন্দির দর্শনের সুযোগ হচ্ছে শহরবাসীর।ছোটন ঘোষ বলছেন, বিস্কুট দিয়ে তিনি এই রাম মন্দিরের রেপ্লিকা তৈরি করেছেন। রাম মন্দিরের এই রেপ্লিকাটি তৈরি করতে তিনি ব্যবহার করেছেন কুড়ি কেজি বিস্কুট। ৪ ফুট বাই ৪ ফুটের এই রাম মন্দিরের রেপ্লিকা তৈরি করতে তার সময় লেগেছে পাঁচ দিন। তিনি এবং তার সহযোগীরা সকলের মিলে এই রেপ্লিকারটি তৈরি করেছেন। বিস্কুট ছাড়াও এই মডেলটি তৈরি করতে ব্যবহার করা হয়েছে থার্মোকল, প্লাইউড, গ্লু-গান ইত্যাদি।শহরের যুবকের এমন কাণ্ড দেখে সকলেই রীতিমত অবাক হয়ে গিয়েছেন। একইসঙ্গে তার এই প্রচেষ্টাকে কুর্নিশ জানিয়েছেন প্রতিবেশী সহ শহরবাসী। তারা বলছেন, ছোটন ঘোষ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নিজের প্রচেষ্টা তুলে ধরার চেষ্টা করেন। শহরের নামকে তিনি আরও উজ্জ্বল করছেন। রাম মন্দির নিয়ে মানুষ যখন খুব উৎসাহী, তখনই তিনি রাম মন্দির তৈরি করে চমকে দিয়েছেন। তিনি যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন অযোধ্যার অনুকরণে রাম মন্দিরকে দুর্গাপুরের বুকে তুলে ধরার।

জানুয়ারি ১৯, ২০২৪
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

শেখ হাসিনাকে ঘিরে ফের জটিলতা! ভারতে আসছেন না তারেক রহমান? দিল্লির বার্তায় বাড়ছে জল্পনা

বাংলাদেশের রাজনীতিতে শেখ হাসিনাকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকেই ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কে নানা টানাপড়েন দেখা দিয়েছে। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে থাকার পর সেই সম্পর্কের সমীকরণ আরও জটিল হয়েছে।গত ৫ অগস্ট নয়াদিল্লি থেকে শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনের পর পরিস্থিতি আরও আলোচনায় আসে। দেশে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করে হাসিনা যে বার্তা দিয়েছেন, তা বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু করেছে। বিশেষ করে তাঁর প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাকে ঘিরে বর্তমান সরকারের উপর রাজনৈতিক চাপ বাড়তে পারে কি না, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে।এরই মধ্যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা সামনে এসেছে। আগামী মাসে ভারতে অনুষ্ঠিত হতে চলা ব্রিকস সম্মেলনে তাঁর যোগ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেই সফর আদৌ হবে কি না, তা নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠছে।এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর একটি মন্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল। তিনি বলেছেন, দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী মুখোমুখি বসে কথা বললেই অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেতে পারে। তাঁর এই মন্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠছে, তবে কি ভারত ও বাংলাদেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে সরাসরি বৈঠককে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে দিল্লি?তবে তারেক রহমানের ভারত সফর এখনই বাতিল হয়ে গিয়েছে, এমনটা নিশ্চিত করে বলা হয়নি। কূটনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ব্রিকস সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের সম্ভাবনা এখনও রয়েছে। সম্মেলনের পাশাপাশি আলাদা করে বৈঠক হলে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের বেশ কিছু জটিল বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্যের পরও নয়াদিল্লি স্পষ্ট করেছে, তাঁর বক্তব্যের সঙ্গে ভারতের কোনও যোগ নেই। ফলে হাসিনাকে ঘিরে তৈরি রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ভারত-বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কদুই বিষয়কেই আলাদা করে দেখছে দিল্লি বলে মনে করছেন কূটনীতিকদের একাংশ।এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, তারেক রহমান শেষ পর্যন্ত ভারতে আসবেন কি না। তিনি এলে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মুখোমুখি বৈঠক হয় কি না, আর সেই বৈঠকে দীর্ঘদিনের জটিল সম্পর্কের কোনও বরফ গলে কি না, সেদিকেই নজর রয়েছে কূটনৈতিক মহলের।

আগস্ট ০৯, ২০২৬
কলকাতা

হালিশহরে মমতার গাড়িতে কাদা-জুতো! ‘চোর’ স্লোগানের পর পানিহাটি থেকে বিস্ফোরক বার্তা শুভেন্দুর

হালিশহরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভের ঘটনায় রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। অভিযোগ, রবিবার তাঁর গাড়ি যাওয়ার সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ বিক্ষোভ দেখান। সেই সময় গাড়ি লক্ষ্য করে কাদা ও জুতো ছোড়া হয় বলেও অভিযোগ ওঠে। মমতাকে লক্ষ্য করে চোর স্লোগানও দেওয়া হয় বলে দাবি।পানিহাটিতে তিলোত্তমার মৃত্যুবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে গিয়ে এই ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ যথেষ্ট ব্যবস্থা করেছিল। টেলিভিশনের ছবিতে তিনি এক জন সিনিয়র পুলিশ আধিকারিকের নেতৃত্বে পুলিশকর্মীদের নিরাপত্তা দিতে দেখেছেন বলেও জানান শুভেন্দু।শুভেন্দুর আরও দাবি, ঘটনাস্থলে বিজেপির কোনও পরিচিত মুখ বা দলীয় পতাকা তিনি দেখতে পাননি। একই সঙ্গে তিনি মমতার হালিশহর সফর নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্য, ছুটির দিনে এক জন আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে মমতা সেখানে গিয়েছিলেন এবং পুলিশকে আগে থেকে জানানো হয়নি।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতাকে যথাসম্ভব নিরাপত্তা ও সম্মান দেওয়ার নির্দেশ রয়েছে বলেও জানান শুভেন্দু। তবে তাঁর পরামর্শ, কেউ সাহায্য চাইলে অবশ্যই সাহায্য করা উচিত। কিন্তু এমন কোনও জায়গায় গিয়ে পরিস্থিতি তৈরি করা উচিত নয়, যাতে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত হয়।হালিশহরের ঘটনার সূত্রপাত থানার হেফাজতে এক ব্যক্তির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, মৃত ব্যক্তি তৃণমূলের কর্মী ছিলেন। রবিবার তাঁর বাড়িতে যাওয়ার পথেই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ি ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ বিক্ষোভ দেখান বলে অভিযোগ। কাদা ও জুতো ছোড়ার ঘটনাও ঘটে বলে দাবি করা হয়েছে।এই প্রসঙ্গেই মমতাকে তিলোত্তমার বাড়িতে যাওয়ার পরামর্শ দেন শুভেন্দু। একই সঙ্গে হাত জোড় করে ক্ষমা চাওয়ার কথাও বলেন তিনি। তিলোত্তমাকাণ্ডের সময়কার একাধিক অভিযোগ তুলে মমতার বিরুদ্ধে তীব্র রাজনৈতিক আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী।শুভেন্দুর বক্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। এক দিকে হালিশহরে মমতার গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ ও কাদা-জুতো ছোড়ার অভিযোগ, অন্য দিকে সেই ঘটনার নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে শুভেন্দুর মন্তব্যসব মিলিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে ফের উত্তাপ ছড়িয়েছে।

আগস্ট ০৯, ২০২৬
কলকাতা

দু’মাস কোথায় ছিলেন? ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে মুখ খুললেন অভিষেকের আপ্তসহায়ক সুমিত, জানালেন সব

দুমাস ধরে পুলিশের খোঁজের বাইরে ছিলেন তিনি। তাঁর সন্ধানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতেও গিয়েছিল পুলিশ। শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের রক্ষাকবচ পাওয়ার পর সিআইডির তলবে ভবানী ভবনে হাজির হন অভিষেকের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়। পরপর দুদিন জিজ্ঞাসাবাদের পর রবিবার তদন্তকারীদের দফতর থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের একাধিক প্রশ্নের মুখোমুখি হন তিনি।পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনীতে জমি প্রতারণার মামলায় শনিবার সুমিতকে দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল সিআইডি। রবিবারও তাঁকে ফের ডাকা হয়। এদিন প্রায় আট ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে। ভবানী ভবন থেকে বেরোনোর পর সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন সুমিত। তবে মামলা বিচারাধীন থাকার কারণে বেশির ভাগ বিষয়েই মন্তব্য করতে চাননি তিনি।গত দুমাস কোথায় ছিলেন, সাংবাদিকেরা এই প্রশ্ন করলে প্রথমে সুমিত বলেন, আমি এই বিষয়ে মন্তব্য করতে পারব না। পরে একই প্রশ্ন করা হলে তাঁর সংক্ষিপ্ত জবাব, এদিকে, আশপাশেই ছিলাম। তাঁর এই মন্তব্যের পর তিনি কলকাতাতেই ছিলেন কি না, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।এত দিন আত্মগোপনে থাকার কারণ জানতে চাওয়া হলে সুমিত বলেন, সুপ্রিম কোর্ট যেমন নির্দেশ দিয়েছে, তা-ই তো মেনে চলছি। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগ নিয়েও মুখ খুলতে চাননি তিনি। সেবাশ্রয়-সহ একাধিক বিষয়ে তাঁর নাম জড়ানোর প্রসঙ্গ উঠলে বলেন, মন্তব্য করতে পারব না।তাঁকে হেনস্থা করা হচ্ছে কি না, সেই প্রশ্নের উত্তরে সুমিত বলেন, হতে পারে। তবে কারা এর নেপথ্যে রয়েছে, তা নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। তাঁর বক্তব্য, মামলা আদালতে বিচারাধীন। পুলিশ যখনই ডাকবে, তিনি তদন্তে সহযোগিতা করবেন।তাঁর বিরুদ্ধে টাকা নেওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গেও প্রশ্ন করা হয়। সেই অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করে সুমিত বলেন, বাজে কথা। পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলিকে মিথ্যা বলেও দাবি করেন তিনি।এর আগে সিআইডির জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যেতে দেখা যায়। তৃণমূলের গাড়িতে করে সেখানে যাওয়ার বিষয়েও প্রশ্ন ওঠে। তার জবাবে সুমিত বলেন, যে অফিসে কাজ করি, সেই অফিস থেকে গাড়িটা দিয়েছে।এদিকে সুমিত নিজেই জানিয়েছেন, তাঁকে আগামী দিনেও তদন্তকারীদের সামনে হাজির হতে হবে। চাকরি দুর্নীতি সংক্রান্ত ডেবরার মামলায় তাঁকে ফের ডাকা হয়েছে। তাঁর কথায়, কাল ১১টার সময় ডেকেছে। তবে এদিন কোনও নথি সঙ্গে আনতে বলা হয়নি বলেও জানান তিনি।শালবনীর জমি প্রতারণা মামলা-সহ সুমিতের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এর আগে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ও লুকআউট নোটিসও জারি হয়েছিল বলে জানা যায়। পরে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর তদন্তে সহযোগিতা করতে শুরু করেন তিনি। পরপর দুদিন ভবানী ভবনে জিজ্ঞাসাবাদের পর সুমিতের দুমাস কোথায় ছিলেনএই প্রশ্নের উত্তর ঘিরেই এখন নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ০৯, ২০২৬
কলকাতা

‘লম্বা লড়াই, তবে তিলোত্তমাই জিতবে’, পানিহাটিতে শুভেন্দুর বিস্ফোরক ঘোষণা, ফের তদন্তের নির্দেশ

অভিশপ্ত ৯ অগাস্টের দুবছর পূর্ণ হল। তিলোত্তমার মৃত্যুবার্ষিকীতে রবিবার পানিহাটিতে আয়োজিত স্মরণসভায় উপস্থিত হয়ে বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তরুণী চিকিৎসকের মৃত্যু-রহস্য আরও গভীরে গিয়ে খতিয়ে দেখার জন্য নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।সভায় শুভেন্দু বলেন, লম্বা দুবছরের লড়াই। দীর্ঘ লড়াই। তবে আমি বলছি, নিশ্চিত ভাবে এই লড়াইয়ে তিলোত্তমা জিতবে। তাঁর বক্তব্য, এই ঘটনায় স্বজনপ্রীতি বা ব্যক্তিগত সম্পর্কের কোনও জায়গা থাকবে না। ঘটনায় যাঁরা জড়িত, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোরতম ব্যবস্থা নেওয়া হবে।মুখ্যমন্ত্রী জানান, তিলোত্তমার দেহ তড়িঘড়ি সৎকারের পেছনে তৎকালীন প্রভাবশালী ব্যক্তিদের কোনও ভূমিকা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে। সেই সূত্রে তৎকালীন বিধায়ক নির্মল ঘোষের ভূমিকা নিয়েও তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি তৎকালীন বারাকপুরের পুলিশ কমিশনারের তদন্ত প্রক্রিয়াও খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু।২০২৪ সালের ৯ অগাস্ট আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের সেমিনার রুম থেকে তরুণী চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার হয়েছিল। সেই ঘটনা গোটা রাজ্য তথা দেশের মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ তৈরি করেছিল। তদন্তে সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়কে গ্রেফতার করা হয়। পরে আদালতের নির্দেশে তদন্তভার যায় সিবিআইয়ের হাতে। সঞ্জয় রায়ের যাবজ্জীবন সাজা হয়েছে। তবে শুরু থেকেই তিলোত্তমার পরিবার দাবি করে এসেছে, এই ঘটনায় আরও অনেকে জড়িত থাকতে পারেন।রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর নতুন করে তদন্তের ঘোষণাকে তাই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছে তিলোত্তমার পরিবার। তাঁদের আশা, এত দিন যে প্রশ্নগুলির উত্তর মেলেনি, নতুন তদন্তে তার কিছুটা হলেও স্পষ্ট হবে।তিলোত্তমার মৃত্যুর দুবছরের স্মরণসভায় নিজের সেই সময়ের অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন শুভেন্দু। তিনি তৎকালীন সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ করে বলেন, রাখিপূর্ণিমার দিন অরাজনৈতিক নবান্ন অভিযানের সময় তিলোত্তমার মায়ের উপর পুলিশের লাঠিচার্জ হয়েছিল। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করতেও দেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।শুভেন্দুর কথায়, আমি ভুলি না। যা করণীয় কাজ করছি, আগামী দিনেও করব। এর শেষ আমাকে দেখতেই হবে। ফলে তিলোত্তমাকাণ্ডে নতুন করে শুরু হওয়া তদন্তে ঠিক কী কী বিষয় খতিয়ে দেখা হয় এবং পুরনো কোনও প্রশ্নের নতুন উত্তর মেলে কি না, এখন সেদিকেই নজর।

আগস্ট ০৯, ২০২৬
রাজ্য

হালিশহরে মমতার গাড়িতে হামলা? ‘টার্গেট ছিল মমতাকে শেষ করা’, বিস্ফোরক দাবি কল্যাণের

হালিশহরে পুলিশ হেফাজতে মৃত তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে যাওয়ার পথে বিক্ষোভের মুখে পড়েন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে জুতো, ইট ও পাথর ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়।মমতার সঙ্গে এদিন ছিলেন তৃণমূলের সাংসদ দোলা সেন এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ, হালিশহরে যাওয়ার সময় মমতার গাড়িকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। তাঁকে লক্ষ্য করে ওঠে চোর স্লোগানও। পরিস্থিতির জেরে কিছু সময় গাড়ি আটকে থাকে বলে তৃণমূলের দাবি।হালিশহর থেকে ফিরে ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, মমতার গাড়ি লক্ষ্য করে বড় বড় পাথর ছোড়া হয়েছে এবং গাড়ির সামনে বাধা তৈরি করা হয়েছিল। একইসঙ্গে তাঁর অভিযোগ, বাইরে থেকে লোক এনে জমায়েত করা হয়েছিল এবং প্রায় এক ঘণ্টা তাঁদের আটকে রাখা হয়।কল্যাণের আরও দাবি, মমতার গাড়িতে যেভাবে পাথর ছোড়া হয়েছে, তাতে আরও বড় বিপদ ঘটতে পারত। তাঁর কথায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করেই হামলা চালানো হয়েছিল এবং তাঁকে শেষ করে দেওয়াই উদ্দেশ্য ছিল। তবে এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।ঘটনার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও সরব হন। তাঁর দাবি, গাড়ি লক্ষ্য করে প্রচুর ইট ছোড়া হয়েছে এবং দীর্ঘ সময় তাঁকে আটকে রাখা হয়েছিল। এই ঘটনার পিছনে বিজেপির কর্মীদের ভূমিকা রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে বিজেপির বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।মমতার বক্তব্য, তাঁকে এভাবে থামানো যাবে না। তিনি আরও বলেন, তিনি মানুষের কাছে যাবেন এবং কোনও বাধাতেই পিছিয়ে আসবেন না।হালিশহর থানার হেফাজতে এক ব্যক্তির মৃত্যুর অভিযোগকে কেন্দ্র করেই এই ঘটনা। মৃত ব্যক্তিকে তৃণমূল কর্মী বলে দাবি করেছেন মমতা। তাঁর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতেই হালিশহরে গিয়েছিলেন তিনি। সেই সফর ঘিরে বিক্ষোভ, গাড়িতে ইট-পাথর ছোড়ার অভিযোগ এবং পাল্টা রাজনৈতিক আক্রমণে নতুন করে উত্তপ্ত হয়েছে রাজ্য রাজনীতি।ঘটনায় কারা জড়িত ছিলেন, বিক্ষোভ কীভাবে তৈরি হয়েছিল এবং গাড়ি লক্ষ্য করে সত্যিই ইট-পাথর ছোড়া হয়েছিল কি না, তা নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠছে। পুলিশি তদন্তে ঘটনার প্রকৃত ছবি সামনে আসে কি না, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

আগস্ট ০৯, ২০২৬
বিদেশ

হাসিনা ফেরার আগেই বাংলাদেশে বড় ‘পালাবদল’! বিএনপির সঙ্গে কি মিশছে আওয়ামী লিগ? সাংসদের মন্তব্যে তুঙ্গে জল্পনা

বাংলাদেশের রাজনীতিতে কি তৈরি হতে চলেছে নতুন সমীকরণ? দীর্ঘদিনের দুই রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিএনপি এবং আওয়ামী লিগ কি এবার কাছাকাছি আসতে পারে? বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার জল্পনার মধ্যেই এমনই এক মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক চর্চা।চলতি বছরের ডিসেম্বরেই বাংলাদেশে ফিরতে চান শেখ হাসিনা, এমন খবর সামনে এসেছে। তার মধ্যেই আওয়ামী লিগকে নিয়ে বড় মন্তব্য করেছেন বিএনপির এক সাংসদ। সুনামগঞ্জ-২ আসনের সাংসদ নাসির উদ্দিন চৌধুরী বৃহস্পতিবার একটি সমাবেশে বলেন, আওয়ামী লিগ তাঁদের শত্রু নয়, বরং মিত্র। তাঁর দাবি, মুক্তিযুদ্ধের সময় দুই পক্ষ একসঙ্গে লড়াই করেছে এবং অদূর ভবিষ্যতে আওয়ামী লিগ বিএনপির সঙ্গে মিশে যেতে পারে।এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। তা হলে কি নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা আওয়ামী লিগকে ফের রাজনীতির মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনার কোনও পরিকল্পনা রয়েছে? বিএনপির সঙ্গে কি সত্যিই তৈরি হতে চলেছে নতুন রাজনৈতিক সমঝোতা? আপাতত এই প্রশ্নগুলির কোনও নিশ্চিত উত্তর মেলেনি।কারণ বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব এখনও আওয়ামী লিগের সঙ্গে দল মিশে যাওয়ার বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেনি। তারেক রহমানও এমন কোনও ইঙ্গিত দেননি। বরং শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে বাংলাদেশে ফেরানোর দাবি দীর্ঘদিন ধরেই করে আসছে বিএনপি।২০২৪ সালের ৫ অগস্ট ছাত্র-যুব আন্দোলনের জেরে আওয়ামী লিগ সরকারের পতন হয়। দেশ ছাড়েন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লিগ এবং তাদের ছাত্র সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রেও আওয়ামী লিগের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।এর পর থেকেই বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিএনপি এবং আওয়ামী লিগের সম্পর্ক আরও তিক্ত হয়েছে। শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার দাবিও জোরালো হয়েছে। সম্প্রতি শেখ হাসিনার অডিয়ো বার্তা প্রকাশ নিয়েও আপত্তি জানিয়েছিল বিএনপি।অন্যদিকে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সম্ভাবনা ঘিরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে জুলাইয়ের গণআন্দোলনের সময় আন্দোলনকারীদের উপর গুলি চালানোর নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগে মামলা হয়েছে এবং তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে বিএনপি সাংসদের আওয়ামী লিগকে মিত্র বলা এবং দুই দলের এক হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনার কথা বলাকে ঘিরে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে তাঁর এই মন্তব্যই দলের আনুষ্ঠানিক অবস্থান কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ফলে হাসিনার দেশে ফেরার আগে বাংলাদেশের রাজনীতিতে সত্যিই নতুন কোনও সমীকরণ তৈরি হচ্ছে কি না, এখন সেটাই বড় প্রশ্ন।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
কলকাতা

১০ ঘণ্টার জেরা শেষে সুমিত সোজা অভিষেকের বাড়িতে, ভবানী ভবনে কী জানলেন গোয়েন্দারা?

ভবানী ভবনে প্রায় ১০ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদের পর সিআইডি দফতর থেকে বেরোলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক হিসেবে পরিচিত সুমিত রায়। শনিবার সকালে নির্ধারিত সময়ের কয়েক মিনিট আগেই ভবানী ভবনে পৌঁছেছিলেন তিনি। দীর্ঘ জেরার পর সিআইডি দফতর থেকে বেরিয়ে সোজা চলে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে। তবে জেরায় সুমিতের কাছ থেকে ঠিক কী তথ্য পাওয়া গেল, তা এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। তাঁকে ফের তলব করা হয়েছে কি না, তা-ও স্পষ্ট নয়।পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনির জমি প্রতারণার মামলায় শুক্রবার রাতে সুমিতকে নোটিস পাঠায় সিআইডি। সেই নোটিসে সাড়া দিয়েই শনিবার ভবানী ভবনে হাজির হন তিনি। সুমিতের বিরুদ্ধে মোট চারটি মামলা রয়েছে বলে তাঁর আইনজীবী আগে জানিয়েছিলেন। এর মধ্যে জমি সংক্রান্ত মামলায় শীর্ষ আদালত থেকে সুরক্ষা পেয়েছেন তিনি। তদন্তে সহযোগিতা করার শর্তেই সেই সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেই নির্দেশ মেনেই সিআইডির জেরায় হাজির হন সুমিত।জমি প্রতারণার মামলায় সুমিতের বিরুদ্ধে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত অভিযোগ রয়েছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, দুর্নীতির টাকা তাঁর কাছে পৌঁছেছিল। যদিও এই মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনও অভিযোগের কথা সামনে আসেনি। তবে সুমিত দীর্ঘ জেরার পর অভিষেকের বাড়িতে যাওয়ায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।সুমিতের নাম সামনে আসে মেদিনীপুরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সুজয় হাজরাকে গ্রেফতারের পর। অভিযোগ ওঠে, বিধানসভা নির্বাচনে টিকিট পাইয়ে দেওয়ার নামে কয়েক লক্ষ টাকা নেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি শালবনির জমি সংক্রান্ত মামলাতেও সুমিতের নাম অভিযুক্ত হিসেবে উঠে আসে।অভিযোগের তদন্তে সুমিতের খোঁজে এর আগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতেও গিয়েছিল পুলিশ। সেখানে দীর্ঘ সময় তল্লাশি চালানো হলেও সুমিতের সন্ধান মেলেনি বলে পুলিশ সূত্রে জানা যায়। এরপর থেকেই তাঁকে নিয়ে তদন্তকারীদের তৎপরতা বাড়ে। পুলিশের আবেদনের ভিত্তিতে আদালত তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা এবং লুকআউট নোটিসও জারি করেছিল বলে জানা গিয়েছে।পরে আদালতের দ্বারস্থ হন সুমিতের আইনজীবী। সেই আইনি প্রক্রিয়ার পর শনিবার সিআইডির তলবে ভবানী ভবনে হাজির হন তিনি। প্রায় ১০ ঘণ্টার জেরা শেষে বেরিয়ে তাঁর গন্তব্য হয় অভিষেকের কালীঘাটের বাড়ি। এখন সিআইডির জেরায় কী তথ্য উঠে এল এবং তদন্তের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
কলকাতা

ফের খুলছে আর জি করের ‘ফাইল’! অভয়ার ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় এ বার পৃথক তদন্ত স্বাস্থ্যদপ্তরের

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর ফের সক্রিয় হয়েছে আর জি কর-কাণ্ডের তদন্ত। হাই কোর্টের নির্দেশে ঘটনার তদন্ত করছে সিবিআই। এর মধ্যেই পৃথক ভাবে ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্যদপ্তর। শনিবার স্বাস্থ্যদপ্তরে সাংবাদিক বৈঠকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়।স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ঘটনার দিন রাতে ধর্ষণ ও খুনের আগে এবং পরে ঘটনাস্থলে যাঁরা গিয়েছিলেন, তাঁদের ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। পাশাপাশি আর জি কর মেডিক্যাল কলেজের ওই তরুণী চিকিৎসকের সঙ্গে কাজ করা অধ্যাপকদের সঙ্গেও কথা বলবেন তদন্তকারীরা। তদন্ত শেষে যে তথ্য উঠে আসবে, তা রাজ্য সরকারের কাছে জমা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।স্বাস্থ্যদপ্তরের দাবি, নতুন করে তদন্তে হাসপাতালের প্রশাসনিক ও বিভাগীয় ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখা হবে। কোথায় কী ধরনের ঘাটতি ছিল, সেই ঘাটতি কীভাবে তৈরি হয়েছিল এবং কেন তা আগে থেকে দূর করা যায়নি, তা জানার চেষ্টা করবেন তদন্তকারীরা।স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার পরিবর্তনের পর আগে থেমে থাকা তদন্তের বিষয়গুলিও নতুন করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই আর জি কর-কাণ্ডে পৃথক তদন্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।আর জি কর-কাণ্ডের পর হাসপাতালের বিভিন্ন ত্রুটি এবং অনিয়ম নিয়ে একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। এমনকি ওই তরুণী চিকিৎসক হাসপাতালের কিছু অন্ধকার দিক সম্পর্কে জানতে পেরেছিলেন এবং সেই কারণেই তাঁকে খুন করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ উঠেছিল। তবে এই দাবিগুলি এখনও অভিযোগের পর্যায়েই রয়েছে। নতুন তদন্তে হাসপাতালের ত্রুটি বা অনিয়ম আড়াল করার কোনও চেষ্টা হয়েছিল কি না, হয়ে থাকলে তার নেপথ্যে কারা ছিলেন, সেই বিষয়ও খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্যদপ্তর।এদিকে রবিবার রাজ্যজুড়ে পালিত হবে অভয়া দিবস। দুই বছর আগে ৯ আগস্ট আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে চেস্ট মেডিসিন বিভাগের তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার স্মরণে রাজ্যের সমস্ত সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হবে।সকাল ১১টায় অভয়ার স্মরণে দুই মিনিট নীরবতা পালন এবং প্রদীপ প্রজ্বলনের কর্মসূচি রয়েছে। পাশাপাশি কয়েকটি জায়গায় ছোট সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যদপ্তরের কর্তারা।অভয়ার মা বিজেপি বিধায়ক রত্না দেবনাথও নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে রবিবার একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন। সেখানে বিকেলে উপস্থিত থাকার কথা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ের।সিবিআইয়ের তদন্ত চলার মধ্যেই রাজ্যের স্বাস্থ্যদপ্তরের এই পৃথক তদন্তে নতুন করে কোন তথ্য সামনে আসে, আর জি কর-কাণ্ডের তদন্তে তা কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে, এখন সেদিকেই নজর।

আগস্ট ০৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal